Wednesday, June 8, 2016

৪ সতর্কতায় বাঁচতে পারে মূল্যবান জীবন

অনলাইন ডেস্ক:


নানা স্বাস্থ্যগত অসতর্কতার কারণে বহু মানুষ প্রতি বছর মৃত্যুমুখে পতিত হয়। যদিও কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করলে এ ধরনের মৃত্যু এড়ানো যায়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো চারটি স্বাস্থ্যগত সতর্কতা, যা অবলম্বন করলে মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব। প্রিভেনটিভ কেয়ার নামে পরিচিত বিভিন্ন পদ্ধতিতে আগে থেকে টিকা দিয়ে কিংবা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের জীবন রক্ষা করা যায়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন চারটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।


১. ধূমপায়ী ও সাবেক ধূমপায়ীদের পরীক্ষা
ধূমপায়ী এবং যারা ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন তাদের উভয়েরই কিছু রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এ ধরনের লোকদের অকালমৃত্যু রোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তাদের ফুসফুসের ক্যান্সার ও অ্যাজমার মতো শ্বাসতন্ত্রের রোগের পরীক্ষা নিয়মিত করা উচিত। যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের ক্ষেত্রে এটি যেমন প্রযোজ্য তেমন যারা গত ১৫ বছরের মধ্যে ধূমপান ছেড়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।


২. স্থূল বা দেহের অতিরিক্ত ওজন যাদের
অতিরিক্ত ওজন থাকলেও অনেকেই স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তারা বড় সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তাই তাদের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া আরও কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে এ ধরনের মানুষদের হঠাৎ আসা কোনো স্বাস্থ্যগত বিপদ নির্ণয় করা সম্ভব, যা তাদের জীবন বাঁচাতে পারে।
চিকিৎসকরা বলছেন, আপনার ওজন যদি বেশি হয় তাহলে রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়া টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি থাকায় এ বিষয়টিও নিয়মিত নজরদারিতে রাখতে হবে। এছাড়া কোলস্টেরলও পরীক্ষা করা প্রয়োজন।


৩. বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়মিত চেকআপ
বয়স বাড়লে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি এমনিতেই বেড়ে যায়। আর এসব রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ চেকআপ শুরু করা প্রয়োজন ৪০ বছর বয়স থেকেই। এছাড়া ৬০ বছর বয়স পার হলে বিভিন্ন রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই এ বয়সে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। ৫০ বছর বয়স পার হলে কলোরেকটাল ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার পরীক্ষা করা উচিত।


৪. গর্ভবতী নারীদের বাড়তি সতর্কতা
গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত চেকআপ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্যগত সুবিধা-অসুবিধা নির্ণয় করা প্রয়োজন। এছাড়া নিয়মিত ওষুধ ও পথ্য এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণসম্মন্ন খাবার খাওয়ার মাধ্যমে গর্ভবতী নারীদের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এছাড়া গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি, ডায়াবেটিস ইত্যাদিও নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

No comments:

Post a Comment