Thursday, June 30, 2016

ব্যায়াম ছাড়াই গড়ে তুলুন দারুণ শক্তিশালী বাহু

প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। আর জিমে গিয়ে নিয়ম করে হাতের ব্যায়াম- পায়ের ব্যায়াম তো আরও না। গরম আর রোজার এই দিনে ব্যায়ামের কথা শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। তাই বলে কি ব্যায়াম করবেন না? করতেই পারেন। পেশীবহুল বাহু গড়ে তোলার ইচ্ছে থাকলে আলাদা করে ব্যায়াম করতে হবে না, কিছু ঘরের কাজ, টুকিটাকি থেকেই আপনি উপকৃত হতে পারেন। চলুন দেখে নিই কী কী কাজ করলে আপনার বাহু হয়ে উঠবে শক্তিশালী।

১) ঘর মোছা
অনেকেই ইদানিং মপ ব্যবহার করে ঝটপট ঘর মোছার কাজটা সেরে ফেলেন। এতে পিঠের পেশী বেঁচে গেলেও আসলে হাতের তেমন একটা ব্যায়াম হয় না। একেবারে হাঁটু মুড়ে বসে ঘর মোছা শুরু করুন। এতে যেমন হাতের বেশ ভালো একটা ব্যায়াম হবে, তেমনি মপের চাইতে ভালো ঘর মোছাও হবে।

২) বাজারের ব্যাগ ভারোত্তোলন

বাজার থেকে গাড়ি পর্যন্ত, গাড়ি থেকে বাসা পর্যন্ত অথবা বাজার থেকে বাসা পর্যন্ত ব্যাগ নিয়ে আসার সময়টার সদ্ব্যবহার করুন। দুই হাতে দুই ব্যাগ নিয়ে হাতটাকে ভাঁজ করে কাঁধের কাছাকাছি নিয়ে আসুন এবং আবার নামিয়ে নিন। এই কাজটির পুনরাবৃত্তি আপনার বাইসেপকে শক্তিশালী করবে, এর পাশাপাশি অনেকটা ক্যালোরিও খরচ হবে।

৩) বাগান করুন
বাগানে খোঁড়াখুঁড়ি করা, গাছ লাগানো, আগাছা পরিষ্কার, এসব কাজ এক ঘন্টা করলে বাহু, ঊর্ধ্ববাহু, কাঁধ এবং কব্জির ব্যায়াম হবে। ছুটির দিনগুলোতে বাগানে সময় দেবার চেষ্টা করুন।

৪) দেয়াল ঠেলুন

দেয়ালে ঠেলা দিলে দেয়াল নড়বে না, কিন্তু আপনার হাত এবং কাঁধের ব্যায়াম ঠিকই হবে। একটি দেয়ালের এক ফুট সামনে দাঁড়ান। কাঁধ বরাবর আলাদা করে রাখুন আপনার পা-দুটো। এরপর ৬-৭ সেকেন্ডের জন্য দেয়ালকে হাত দিয়ে ঠেলা দিন। এছাড়া দরজার চৌকাঠে দুদিক দিয়ে ঠেলা দেবার কাজটাও করতে পারেন ৬-৮ সেকেন্ড। এই কাজগুলো করতে পারেন ১০ বার পর্যন্ত।

) কাপড় ধোয়া ও শুকাতে দেওয়া
এতে আপনার ওয়াশিং মেশিন এবং ড্রায়ার দুটো থেকেই ইলেকট্রিক বিল বেঁচে যাবে। ধোয়া কাপড়ের ঝুড়িটাকে নিয়েও আপনি ওয়েইট লিফটিং করতে পারেন।

৬) রান্নাবান্না করুন

বেকিং করার জন্য যে ডো তৈরি করতে হয়, তা মাখাতে হাতের বেশ ব্যায়াম হয়। ইলেকট্রিক মিক্সার ব্যবহার করবেন না। সাধারণ হুইস্ক বা বিটার ব্যবহার করুন। কোনো কিছু কুচি করার জন্য ব্যবহার করুন ভারি ছুরি। এক গ্যালন পানি ধরে এমন বড় জগ থেকে পানি ঢেলে পান করুন। নন-স্টিক প্যানে পরিবর্তে কাস্ট আয়রনের প্যান ব্যবহার করুন, এগুলো বেশ ভারি হয় ফলে এগুলো নাড়াচাড়া করতে আপনার অনেক ব্যায়াম হবে।

৭) ব্যায়ামের পরে খান স্টেক
স্টেক ছাড়াও সাধারণ রেড মিট খাওয়াটা হাতের মাসল গঠনের জন্য বেশ উপকারী, জানা যায় অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণা থেকে। রেড মিটের অ্যামিনো এসিড মাসল গঠনের জন্য সহায়ক বলে মনে করা হয়। তবে এই রেড মিটে যেন চর্বি যথাসম্ভব কম থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

৮) হাঁটার সময়ে হাত চালান
হ্যাঁ, হাঁটার সময়ে হাত শরীরের দুপাশে আটকে রাখবেন না। হেলেদুলে, হাত দুলিয়ে হাঁটুন।

৯) চেয়ার ডিপ

চেয়ারে বসুন সোজা হয়ে, পায়ের পাতা সমান করে মেঝেতে রাখুন। হাত রাখুন চেয়ারের সিটে আপনার কোমরের পাশে। এবার হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে নিজের কোমর এবং হিপ ওপরের দিকে ও সামনের দিকে ওঠান। এরপর আবার কনুই বাঁকা করে বসে পড়ুন। শরীরের ভার পায়ের ওপর না দিয়ে হাতের ওপর দেবার চেষ্টা করুন।

১০) অফিসে বসে ব্যায়াম
অফিসে কাজ করতে করতেই সেরে ফেলুন হাতের ব্যায়াম। হাতের তালু ডেস্কের নিচে লাগিয়ে ওপরের দিকে চাপ দিন, যেন ডেস্ক উঠিয়ে ফেলবেন। পাঁচ সেকেন্ড এভাবে চাপ দিন। এরপর ছেড়ে দিন। এই কাজটি করুন যতক্ষণ না মাসল বার্ন করে।

প্রিয়.কম

মুখের ঘায়ের যন্ত্রণা দূর করুন ঘরোয়া ৬ উপায়ে

মুখের ঘা খুব সাধারণ এবং অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। ছোট বড় সব বয়সের মানুষেরা এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। সাদাটে ছোট ছোট এই ঘা বেশ কষ্টদায়ক। এটি সাধারণত মুখের ভিতর, জিহবা, ঠোঁট, দাঁতের মাড়িতে হয়ে থাকে। সাধারণত তিন ধরণের মুখে ঘা দেখা যায়। মাইনর আলসার, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। মেজর আলসার, এটি প্রায় এক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। হারপেটিফ্রম আলসার, এটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেকগুলো ঘা নিয়ে একটি বড় ঘা হয়ে থাকে।

বিভিন্ন কারণে মুখে ঘা হতে পারে। এর মধ্যে জ্বর, রক্ত স্বল্পতা, ফুড অ্যালার্জি, পুড়ে যাওয়া,স্ট্রেস, অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি, ভিটামিনের অভাব ইত্যাদি অন্যতম। ঘায়ের তীব্র ব্যথার কারণে অনেকে ঠিকমত খেতে পারেন না। ওষুধ ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই ঘা ভাল করা সম্ভব।

১। যষ্টিমধু

মুখের ঘা সারাতে যষ্টিমধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দুই কাপ পানিতে দুই থেকে তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এটি দিয়ে দিনে কয়েকবার কুলকুচি করুন। যষ্টিমধুর অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান মুখের ঘা ভাল করে থাকে।

২। টি ব্যাগ


খুব সহজ ঘরোয়া উপায়ে মুখের ঘা দূর করার আরেকটি উপায় হল টি ব্যাগ। এটি দ্রুত ব্যথা এবং ইনফ্লামেশন দূর করে দিয়ে থাকে। একটি টি ব্যাগ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে সেটি ঘায়ের স্থানে লাগান। এটি সাথে সাথে আপনার ব্যথা কমিয়ে দিয়ে দিবে।

৩। নারকেল তেল

সহজলভ্য নারকেল তেল দিয়ে মুখের ঘা দূর করা সম্ভব। একটি তুলোর বলে নারকেল তেল লাগিয়ে সেটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগান। নারকেল তেলের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান ঘা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৪। তুলসি


কয়েকটি তুলসি পাতাসহ পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এটি দ্রুত মুখের ঘা প্রতিরোধ করবে এবং মুখে ঘা হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দিবে।

৫। বেকিং সোডা

এক চা চামচ বেকিং সোডা অল্প পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পাতলা পেস্টটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগিয়ে নিন। এটি দিনে কয়েকবার করুন। এছাড়া বেকিং সোডা সরাসরিই মুখের ঘায়ের স্থানে লাগাতে পারেন।

৬। মধু


একটি তুলোর বলে মধু লাগিয়ে নিন। এবার এটি মুখের ঘায়ের স্থানে লাগান। এছাড়া মুখের ঘায়ের স্থানে গ্লিসারিন, ভিটামিন ই অয়েল লাগাতে পারেন।

প্রিয়.কম

ওজন কমাতে সাহায্য করবে এই ৭টি ফল

ডায়েটে বেশির ভাগ সময় ফল এবং সবজি খেয়ে থাকতে হয়। ডায়েটের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ফল। ফলে চিনি থাকার কারণে বেশি খাওয়ার ফলে তা শরীরে মেদ জমিয়ে দিতে পারে। তাই ফল বাছাই করতে হয় বুঝেশুনে। ওজন কমানোর জন্য কোন ফলগুলো খাচ্ছেন? কিছু ফল আছে যা শরীরে মেদ কাটতে সাহায্য করে। এই ফলগুলো প্রতিদিনকার খাদ্যতলিকায় রাখুন।

১। আপেল

ওজন কমাতে সাহায্য করে যে ফলগুলো তার মধ্যে আপেল অন্যতম। প্রচলিত আছে “প্রতিদিন একটি আপেল খান, দূরে রাখুন ডাক্তারকে”। আপেলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার আছে, যা আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। আর পানি থাকার কারণে এটি শরীরে মেদও জমতে দেয় না। তাই ডায়েটের সময় খেতে পারেন ইচ্ছামত আপেল।

২। স্ট্রবেরি


লাল রং এর ছোট এই ফলটি ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। এক কাপ স্ট্রবেরিতে মাত্র ৫০ ক্যালরি, ৭ গ্রাম চিনি এবং ৩ গ্রাম ফাইবার রয়েছে। তাই নির্ভাবনায় ইচ্ছামত খেতে পারেন স্ট্রবেরি।

৩। তরমুজ

তরমুজে শতকরা ৯০ ভাগ পানি রয়েছে। আর ১০০ গ্রাম তরমুজে মাত্র ৩০ ভাগ ক্যালরি। এতে অ্যামিউ অ্যাসিড রয়েছে যা মেদ কাটতে সাহায্য করে। এটি মেদ কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে দীর্ঘক্ষণ।

৪। কলা


কলা নিয়ে অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকই মনে করেন কলা খেলে নাকি মোটা হয়ে যায়। আপনি প্রতিদিন ছোট দুটি বা বড় একটি কলা খেতে পারেন, এটি আপনাকে মোটা করবে না। কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভাইবার, ভিটামিন বি৬ যা আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে ৩০ বছর বয়সের পর।

৫। লেবু

ওজন কমাতে লেবুর ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের সবার জানা। এক গ্লাস পানিতে লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এটি আপনার পেটের মেদ কেটে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

৬। নাশপাতি


ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফলটি হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে, ডায়াবেটিস হ্রাস করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৭। জাম্বুরা

পরিচিত এবং সহজলভ্য একটি ফল হল জাম্বুরা। সহজলভ্য এই ফলটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন খাওয়ার আগে জাম্বুরা খাওয়াটা অনেকটাই অজন কমাতে পারে।

প্রিয়.কম

ঋতুস্রাব বলবে রোগের কথা

নারীর স্বাস্থ্য কেমন আছে, সেটার কিছুটা খবর দিতে পারে ঋতুস্রাব। মেয়েদের অনেক স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, যেগুলো ঋতুস্রাবের অবস্থা বুঝে শনাক্ত করা সম্ভব।

একটি স্বাভাবিক ঋতুচক্র সাধারণত এক থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। যদি এর বাইরে ঋতুস্রাবে কোনো অসুবিধা হয়, তবে বুঝতে হবে শরীরে কোনো সমস্যা হচ্ছে। তাই ঋতুস্রাবে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেটি এড়িয়ে যাবেন না। এ বিষয়ে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি নিচে দেওয়া হলো।

হালকা গতি

যদি ঋতুস্রাবের গতি হঠাৎ করে ধীর হয়ে যায়, তাহলে এটি হরমোনাল সমস্যা নির্দেশ করে, যেমন—থাইরয়েডের সমস্যা। যদি জন্মনিরোধক ওষুধ খান, তবে এটি ঋতুস্রাবের ওপর প্রভাব ফেলে। এমনকি পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রমের ক্ষেত্রেও অনেক সময় ঋতুস্রাবের গতি হালকা হয়ে যায়।

হঠাৎ রক্তপাত


যদি ঋতুস্রাব শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হঠাৎ করে রক্তপাত হয় অথবা বেশি রক্তপাত হয়, এটি ফাইব্রোসিস অথবা সারভাইক্যাল পলিপের লক্ষণ নির্দেশ করে। শরীরে ইসট্রোজেন হরমোন বেশি হলে, সারভাইক্যাল পলিপের সমস্যা হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতির কারণেও হয়।

পেটে ব্যথা

যদি ঋতুস্রাবের সময় তীব্র এবং অসহ্য ব্যথা হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান। এটি বিভিন্ন স্ত্রীরোগের কারণে হয়ে থাকে। আমরা এটাকে সাধারণত স্বাভাবিক ভাবি এবং সামান্য ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে নিই। তবে যদি বেশি ব্যথা করে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। এ ধরনের তীব্র ব্যথা অনেক সময় এন্ডোমেট্রিয়সিসের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

ঋতুস্রাব হতে দেরি হলে

নির্দিষ্ট সময়ের পর বা দেরি করে ঋতুস্রাব হলে এবং সন্তান ধারণের কোনো বিষয় না থাকলে এটি ওভারিয়ান সিস্টের নির্দেশ করে। এ ছাড়া অভুলেশনে অসুবিধা হলেও এ সমস্যা হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অনিয়মিত ঋতুস্রাব


যদি আপনার ওজনাধিক্য থাকে এবং ঋতুস্রাব অনিয়মিত হয়, তাহলে রক্তের শর্করা পরীক্ষা করান। এটি কখনো কখনো নারীদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের লক্ষণ।

ঋতুস্রাবের রং

ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক রং লাল হওয়া উচিত, অনেকটা ক্রেনবেরি জুসের মতো পুরু থাকে। যদি রং এ রকম না হয়, তবে চিকিৎসকের কাছে যান। এটি ইসট্রোজেন হরমোনের ভারাসাম্যহীনতা নির্দেশ করে।

ঋতুস্রাব না হলে


অনেক নারীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ঋতুস্রাব চার থেকে পাঁচ মাস ধরে হয় না। এর কারণ কিন্তু গর্ভাবস্থা নয়। যদি কারো ঋতুস্রাব ঠিক সময়মতো হতে থাকে, কিন্তু একসময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার অসুবিধা হয়, তবে এটি শরীরের বিভিন্ন সমস্যার নির্দেশ করে। ওজনাধিক্য, অতিরিক্ত ব্যায়াম, দুর্বলতা ইত্যাদি ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে। এ ছাড়া মস্তিষ্কের টিউমার, হাইপাথাইরোয়েডিজম অথবা অভারির কার্যক্রম কমে যাওয়া এ ধরনের সমস্যা হলেও এ রকম হতে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শরীরের ব্যথা দূর করে দিন ম্যাসাজের দারুণ সব কৌশলে

শরীরের নাম মহায়শ, যা সওয়াবে তাই সয়- এটা সব সময় খাটে না। শরীর আছে যখন, ব্যথা-বেদনাও থাকবেই। শরীরের এই ব্যথা তুঙ্গে উঠলে মাঝে মাঝে মনে হয় শরীর মালিশ করে দেবার জন্য একজন সহকারী থাকা বুঝি খুব দরকার! না, সহকারী দরকার হবে না। কিছু কৌশল জানা থাকলে নিজেই নিজের শরীর ম্যাসাজ করে নিতে পারেন, সেই ব্যথা যেখানেই হোক না কেন। চলুন দেখে নিই সেসব কৌশল।

১) টেনিস বল
পায়ের পেশী টানটান আড়ষ্ট হয়ে আছে, কিছুতেই শিথিল করতে পারছেন না। এক্ষেত্রে একটি দেয়ালে হাত রেখে ভর দিয়ে দাঁড়ান এবং পায়ের ধনুকের মতো বাঁকানো অংশের নিচে একটা টেনিস বল রাখুন। আপনার পা ছোট হলে গলফ বল রাখতে পারেন। ধীরে ধীরে বলের ওপর শরীরের ভার দিতে থাকুন। পায়ের নিচে গড়িয়ে নিন। দেখবেন আরাম লাগছে। এছাড়া হিপ, শোল্ডার ব্লেডের মাঝামাঝি জায়গা অথবা পিঠের নিচের দিকের ব্যথা দূর করতেও টেনিস বল কাজে লাগাতে পারেন। মেঝেতে বল রেখে এর ওপর শুয়ে পড়ুন এবং ধীরে ধীরে এর ওপরে গড়িয়ে নিন। ক্লান্ত হাতের স্ট্রেস দূর করতে একটা টেনিস বল হাতের মুঠোয় শক্ত করে রেখে চাপ দিন। বরফ জমাট পানির বোতল দিয়েও পায়ের মাসাজ করতে পারেন।


২) ঘাড়ের শান্তি

ঘন্টার পর ঘন্টা কম্পিউটারের দিকে চেয়ে ঘাড়ের বারোটা বাজাচ্ছেন আপনি। তালুর নিচের অংশটা দিয়ে স্পাইনাল কর্ডের দুপাশে ধীরে ধীরে চাপ দিন। ওপর নিচ করে মাসাজ করে নিন। এরপর মাথার বাম দিকে খুলির ঠিক নিচে যে চৌকো মাসল আছে তাতে চাপ দিন। মাথা বাম দিকে হেলান। মাসাজ করতে করতে কাঁধের দিকে হাত নামান। তিনবার এটা করে মাথার অন্যপাশেও এই কাজটি করুন। এছাড়া ঘাড়ের সামনের দিকের জন্য আরেকটি ব্যায়াম করতে পারেন। মাথা পেছনে হেলিয়ে চেয়ারের পিঠে রাখুন। খুলির ঠিক নিচে ঘাড়ের অংশটি চেয়ারে চেপে রাখুন ২০ সেকেন্ড।

৩) নিজেকে পিটিয়ে নিন
শরীর সবসময় ম্যাজম্যাজ করলে দিনে দুইবার করতে পারেন এই কাজটি। হাত মুঠো করে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পিটিয়ে নিন। সকালে কাজটি করলে ঘুম পালাবে নিমিষেই। সন্ধ্যায় করলে শরীর থেকে স্ট্রেস এবং টেনশন দূর হবে।

৪) হিল জুতো পরার পর

সারাদিন হিল পরে হাঁটাহাঁটি করলে পায়ের মাসলে টান পড়ে। হিল খুলে ফেলার পরে এদেরকে যত্ন করাটা জরুরী। একটি চেয়ারে বসে পাতের পাতা সমান করে মেঝেতে রাখুন। এরপর একিলিস টেন্ডনের ওপর বুড়ো আঙ্গুল রেখে গোড়ালির ওপরের মাসল শক্ত করে চেপে ধরুন। এভাবে চাপ দিতে দিতে হাঁটু পর্যন্ত হাত নিয়ে আসুন। অন্য পায়েও এই কাজটি করুন।

৫) খাবার পরে পেটে হাত বোলানো
আপনি হয়তো বিয়েবাড়িতে গিয়ে প্রায়ই দেখেন মোটাসোটা ভুঁড়িওয়ালা কোনো ব্যক্তি খাওয়া শেষে আরাম করে পেটে হাত বোলাচ্ছেন। এতে আপনার হাসির উদ্রেক হলেও কাজটি কিন্তু উপকারী। এক হাত বা দুই হাতের তালু ক্লকওয়াইজ পেটের ওপর ঘুরিয়ে মাসাজ করুন। এতে হজম সহজ হবে।

৬) ব্যায়ামের আগে-পরে

ব্যায়ামের আগে-পরে শরীর ওয়ার্ম আপ করে নিতে হয় যাতে ইনজুরি এড়ানো যায়। এর জন্য ম্যাসাজ সহায়ক। হাত ও পায়ের মাসল হাতের মুঠো দিয়ে পিটিয়ে নিন। এবার ব্যায়াম শুরু করুন।

৭) ক্লান্ত চোখ
সারাদিন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চোখেরও আরাম দরকার। এর জন্য দ্রুত দুই হাতের তালু ঘষে গরম করে নিন। এবার প্রতি চোখের ওপর হাতের তালু দিয়ে রাখুন। এই উষ্ণতা শান্তি দেবে। চোখের আশেপাশে মাসাজ করেও নিতে পারেন।

৮) ঘরে তৈরি হিটিং প্যাড
একটা মোজার তিন চতুর্থাংশ ভরে নিন চাল দিয়ে। এটাকে গিঁট দিয়ে বা রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকে নিন। এবার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ২ মিনিট গরম করে নিন। এরপর মাসলে ঘষে নিন ব্যথা দূর করার জন্য।

৯) মাসাজ বক্স

সন্ধ্যায় ঘরে ফিরলেই পা ব্যথা? অথবা সকালে অফিস যাবার সাথে সাথেই? ওখানে রাখুন একটা মাসাজ বক্স। একটা জুতোর বক্সে বেশ করে গলফ বল রেখে দিন। পা ব্যথা করলে চেয়ারে বসে এর ওপর পায়ের তলা গড়িয়ে নিন।

এছাড়াও যা করতে পারেন-
- হাতে লোশন মাখার সময়ে হাত মাসাজ করে নিন
- সাইনাসের ব্যথা হলে নাক ও কপাল মাসাজ করুন আঙ্গুল ঘুরিয়ে
- হাতের মাসল ব্যথা করলে ট্রাইসেপ চিমটি কাটুন
- ঘাড়ের আড়ষ্টতা দূর করতে নিজেকে জড়িয়ে ধরুন
- অল্প অল্প করে চুল টেনে নিলে মাথাব্যথা কমে যাবে
- রাতে ঘুমানোর আগে পা মাসাজ করে নিন ল্যাভেন্ডার তেল দিয়ে

প্রিয়.কম

বিমান ভ্রমণে খাবেন যে খাবারগুলো

প্রায়ই আকাশপথে ভ্রমণ করা পড়ে? বিমানের খাবার খুব একটা ভালো লাগে না, বলা যায় একরকম বিস্বাদই লাগে খেতে? ব্যাপারটা আপনার একার নয়, প্রায় সবার সাথেই ঘটে থাকে। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে, বিমানের শব্দ মানুষের জিহ্বার স্বাদকে প্রভাবিত করে থাকে। এছাড়াও যেহেতু যাত্রার আগেই খাবার রান্না করা হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে সেটা গরম করে যাত্রীদেরকে দেওয়া হয়- বিমানের খাবারগুলো খুব একটা স্বাস্থ্যকরও হয় না অনেক ক্ষেত্রে। অন্যদিকে শুকনো খাবার খেলে সেটাও আরো বেশি বিস্বাদ লাগতে পারে আপনার। তবে এতসব ঝামেলাকে পাশ কাটিয়েও সামনের বিমান ভ্রমণে খানিকটা উন্নতমানের খাবার খেতে পারেন আপনি। কীভাবে? বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। আর বিমানে কোন খাবারগুলো বাছাই করাটা বেশি ভালো সেটা আমি নই, বলেছেন বিজ্ঞানীরাই।

১. ভাত

ভাবুন তো, শেষ কখন আপনি নুডলস কয়েকবার জ্বাল দিয়েছিলেন? প্রথমবারের চাইতে একটু শুকনো হয়ে গিয়েছিল না সেটা? আর তাই বিমানে ভাত ও নুডুলসের ভেতরে যেকোন একটি বাছতে বললে বেছে নিন ভাতকে। কারণ, ভাতে নুডুলসের চাইতে ময়েশ্চার একটু বেশি থাকে। ফলে স্বাদটাও ঠিক থাকে। এছাড়া ভাবে আপনাকে দেবে শক্তি, রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিকঠাক রাখবে এবং প্রচুর পরিমাণ বি১ এর যোগান দেবে। এটি অল্প সময়ে আপনার পেট ভরিয়ে দেওয়ার জন্যে যথেষ্ট।

২. তরকারী


তরকারী, বিশেষ করে সেটা যদি হয় মাংস বা সব্জির, তাহলে অবশ্যই সেটা বাছুন। কারণ, বিমানে উঠলে উচ্চচাপ ও নানরকম কারণে আমাদের জিহ্বা শুকিয়ে যায়। সাধারণ স্বাদকেও তখন অনেক বেশি পানসে বলে মনে হয় আমাদের। স্বাদ নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। সেক্ষেত্রে নানারকম ভিটামিন তো বটেই, তরকারী আপনাকে দেবে খাওয়ার রুচিও। এছাড়াও দুইবার জ্বাল দেওয়ার ফলে তরকারীর স্বাদ একটুও না কমে বরং বেড়ে যায়। ফলে সেটিও আপনার খাওয়ার আগ্রহকে বাড়িয়ে দেবে।

৩. মুরগী


সাধারণত, কয়েকবার জ্বাল দেওয়ার পর গরু কিংবা অন্যকোন মাংস, এমনকি সী ফুডের চাইতেও মুরগী সবচাইতে বেশি স্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকে। এছাড়াও মুরগীতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন ও খনিজ উপাদান। যেগুলো আপনার পেটকে ভরিয়ে দেবে, স্বাস্থ্যেও ঠিক রাখবে। তাই পরেরবার বিমান ভ্রমণে মুরগীর ডিশকেই প্রাধান্য দিন।

প্রিয়.কম

মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে যে খাবারগুলো

কিছু খাবার ও পানীয় ওজন কমাতে সাহায্য করে, দেহ থেকে টক্সিন বাহির করে দেয় এবং রক্তচাপ কমতেও সাহায্য করে। এই খাবারগুলোকেই প্রাকৃতিক ডিইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক বলা হয়। এগুলো অনেক বেশি ইউরিন উৎপন্ন হতে সাহায্য করে। মূত্রবর্ধক খাবারগুলোর উপকারিতা অপরিসীম। এরা ব্যথাযুক্ত মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং শরীরে পানি জমে থাকার সমস্যা বা ইডিমা দূর হতে সাহায্য করে। মৌসুমি জয়েন্টের ব্যথাও দূর করে মূত্রবর্ধক খাবার। প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক কিছু খাবারের কথাই আজ জেনে নিই চলুন।

১। লাউ

লাউ সহজলভ্য ও সুলভ মূল্যের একটি খাবার যা প্রত্যেকেই খেতে পারেন। লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে লাউ। প্রস্রাবের সংক্রমণ জনিত সমস্যা দূর হয় লাউ খেলে। এই সবজি দেহের তাপমারা নিয়ন্ত্রণ করে। লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে।

২। মৌরি বীজ


হজম সহায়ক ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি মৌরি বীজে মূত্রবর্ধক উপাদান ও থাকে। মৌরিবীজ ভেজানো পানি বা শরবত হিসেবে পান করতে পারেন অথবা খাবার খাওয়ার পরে ১ চামচ মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটিও খুব সহজলভ্য ও সস্তা একটি ডিইউরেটিক খাদ্য।

৩। ফুটি বা খরমুজ


ফুটি একটি রসালো ফল যা রক্তচাপের জন্য চমৎকার কাজ করে এবং এটি শক্তিশালী মূত্রবর্ধক হিসেবেও কাজ করে। শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও টক্সিন দূর করে দিতে সাহায্য করে ফুটি। প্রতিদিন খেলে কিডনি রোগ হওয়া প্রতিরোধ করে।

৪। বার্লি


ওজন কমাতে অনেক বেশি কার্যকর বার্লির পানি। দিল্লির ডায়াবেটা কেয়ার এর চীফ নিউট্রিশনিস্ট তারা মুরালির মতে, বার্লি মাঝারি মানের ডিইউরেটিক যা দেহ থেকে টক্সিন বাহির করে দেয় এবং মূত্রনালির সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে ঘন ঘন ইউরিনেশনের মাধ্যমে।

৫। ধনেপাতা

আমাদের দেশের বিভিন্ন ধরণের খাবার রান্নায় ব্যবহার করা হয় বহুমুখী গুণ সম্পন্ন ধনিয়াপাতা। এটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবেও চমৎকার কাজ করে। ধনিয়াপাতা প্রদাহ ও ফুলা কমতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

৬। গ্রিনটি


গ্রিনটি এর অ্যান্টিওক্সিডেন্টের জন্য বিভিন্ন পুষ্টিবিদই গ্রিনটি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটি মেটাবলিজমকে উৎসাহিত করে এবং ডিইউরেটিক হিসেবে কাজ করে যা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন এবং শরীরের পানি আবদ্ধ হওয়া প্রতিরোধ করে। লেবুর রস ও ডিইউরেটিক হিসেবে কাজ করে এবং গ্রিনটি এর সাথে যুক্ত করলে বেশি উপকৃত হওয়া যায়। গ্রিনটি এর মত ব্ল্যাকটি ও প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

৭। রসুন

ক্লিঞ্জিং ও হিলিং এর প্রসঙ্গে অন্য সবজির তুলনায় রসুন অনেক বেশি কার্যকরী। এছাড়াও রসুন একটি শক্তিশালী মূত্রবর্ধক হিসেবেও কাজ করে যা দেহ থেকে অতিরিক্ত তরল বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে। এর সাথে সাথে স্বাস্থ্যকর ইমিউন সিস্টেমকেও উৎসাহিত করে রসুন।

এছাড়াও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার ডিইউরেটিক হিসেবে কাজ করে। উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম সমৃদ্ধ কিছু খাবার হচ্ছে- অ্যাভোকাডো, পালং শাক, এপ্রিকট ও কলা।

দিনের শুরুতে করুন এই ৬টি কাজ

ঘড়ির অ্যালার্মে ঘুম ভাঙ্গার পর প্রথম কোন কথাটা মাথায় আসে? চাকুরীজীবীদের মনে পড়ে অফিস, কাজ এবং ছোটাছুটি। আর শিক্ষার্থীদের মনে আসে ক্লাস, পরীক্ষার ব্যস্ততা। এতসব নেতিবাচক চিন্তা আপনার মন মেজাজ খারাপ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। দিনের শুরুটা ইতিবাচক, সুন্দর কিছু চিন্তা করে শুরু করুন। দেখবেন একটি সাফল্যময় সুন্দর দিন কাটাচ্ছেন আপনি। দিনের শুরুতে করুন কিছু কাজ যা আপনাকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি আপনার দিনকে করবে সাফল্যময়।

১। পানি পান করা

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনার এনার্জি বৃদ্ধি করবে। এবং আপানার মেটাবলিজম বাড়িয়ে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। সম্ভব হলে কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে। তবে গ্যাসের সমস্যা থাকলে লেবু পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।

২। কালকে ভুলে, বর্তমানে মনোযোগ দিন


গতকাল কি হয়ছে, কেন হয়ছে তা ভুলে যান। আজকে কি করবেন তা কীভাবে করবেন তা চিন্তা করুন। গতকাল আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তাই সেটা চিন্তা করে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

৩। স্ট্রেচ করুন

সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ট্রেচ করুন। ছোট এই একটি কাজ আপনাকে সারাদিনের কাজের এর্নাজি দিবে। এটি শরীরের জড়তা কাটিয়ে ঘুম দূর করে দেয়।

৪। হালকা কিছু ব্যায়াম করা


দিনের শুরুতে হালকা কিছু ব্যায়াম দিয়ে শুরু করলে মন্দ হয় না। ব্যায়াম করতে পারলে আপনার সারা দিন ঝরঝরে এবং সুন্দর কাটবে। ১৫/২০ সেকেন্ড আপানার পায়ের পাতা ডান দিক থেকে বাম দিকে আবার বাম দিক থেকে ডান দিকে ঘোরান। এটি করলে আপানার সারা রাতের ঘুমিয়ে থাকা ম্যাসলের জড়তা কেটে যায় এবং হাঁটাহাঁটি করতে কোন সমস্যা হয় না। এছাড়া কিছুক্ষণ বারান্দায় হাঁটাহাঁটিও করতে পারেন। এতেও আপনার মাংস পেশীর জড়তা কাটাতে সাহায্য করে থাকে।

৫। ইতিবাচক চিন্তা করুন

যা পেয়েছেন, যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ এমন জিনিসের লিস্ট মনে মনে তৈরি করুন। এটি আপনার মন ভাল করে কাজের শক্তি দেবে। নেতিবাচক চিন্তা দূর করে জীবনের ইতিবাচক দিক খুঁজে বের করুন। দেখবেন দিনটি সুন্দর হয়ে গেছে।

৬। সাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তা


সকালে অনেকে তেলে ভাজা পরোটা খেতে পছন্দ করে। এটি সুস্বাদু হতে পারে তবে এটি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও উপকারি নয়। রুটি, ফল, ফলের জুস, অথবা ওটস দিয়ে দিনের শুরুর নাস্তাটা হতে পারে। অনেকেই তাড়াহুড়া করে সকালের নাস্তা না করে ঘর থেকে বের হয়ে যান। এই কাজটি স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।
প্রিয়.কম

যে ৫টি ভিটামিন সব নারীদের গ্রহণ করা উচিত

আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। ব্যস্ত এই জীবনে এত কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিকমত খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই।

আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন। তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত। এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।

১। ভিটামিন এ

সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু , ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে। নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন এ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে।

২। ভিটামিন ডি


ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পিএমএসের লক্ষণ কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা হাড়ের সমস্যা অস্টিওপরোসিস রোধ করে।

৩। ভিটামিন বি

ভিটামিন বি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় এমনটি বলেন Mary Ellen Camire, University of Maine এর পুষ্টিবিদ। বি৬ লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। ভিটামিন বি৯ ফলিক এসিড নামে পরিচিত যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার ও মেমোরি লস প্রতিরোধ করে। ভিটামিন বি৬ ডিপ্রেশন, হৃদরোগ এবং স্মৃতি হারানোর সমস্যা কমতে সাহায্য করে। মাছ, মাংস, বিনস, সবজি, ওটমিল ফল ইত্যাদি ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৯ ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৭ ইত্যাদি খাবার রাখা প্রয়োজন।

৪। ভিটামিন ই


বয়স বৃদ্ধি রোধ, হার্ট সুস্থ রাখা, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে ভিটামিন ই অপরিহার্য। বাদাম, কর্ লিভার অয়েল, পালং শাক, সানফ্লাওয়ার সিডস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই রয়েছে।

৫। ভিটামিন সি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি বেশ উপকারী। এটি দেহের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উন্নতি করে, বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কমলা, আঙ্গুর, জাম্বুরা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন সি রয়েছে।


প্রিয়.কম

ফ্যাট পোড়াতে ফ্যাট খান

আপনি কি ফ্যাট গ্রহণ করতে ভয় পান? তাহলে এটি ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে এমনকি ফ্যাট কমতেও সাহায্য করে। বিপাকে সহযোগিতার জন্য, কোষের গঠনের জন্য, পেশীর স্বাস্থ্যের জন্য, ইমিউনিটির জন্য, হরমোনের উৎপাদনের জন্য এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের শোষণের জন্য আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত ফ্যাট প্রয়োজন। তারা শরীরের প্রদাহ কমতে সাহায্য করে, মস্তিষ্ক ও চোখের কাজের উন্নতি ঘটায় এবং আমাদেরকে সন্তুষ্টি প্রদান করে ফ্যাট। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা স্বাদেও অনন্য হয়।

ফ্যাট পোড়াতে ফ্যাট :

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সার্বিক স্বাস্থ্যের কথাও চিন্তা করা উচিৎ। এনার্জি প্রদানের জন্য শর্করা, আমিষ ও চর্বি এই ৩টি পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন আমাদের শরীরের। ১ গ্রাম চর্বি থেকে যে পরিমাণ এনার্জি পাওয়া যায় তা অন্য দুটি উপাদানের (শর্করা ও আমিষ) চেয়ে দ্বিগুণ। আপনার খাদ্য তালিকায় যদি কোন ফ্যাট না থাকে তার অর্থ ক্যালরি পোড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানী আপনার নেই। বিপাকীয় কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য শক্তির প্রয়োজন। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে ২০০৭ সালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায় যে, ফ্যাটি এসিড গ্রহণ করলে বিপাকীয় কার্যাবলী উদ্দীপিত হয়।

পেটের বা উরুর চারপাশের পেরিফেরাল টিস্যুতে পুরনো ফ্যাট জমা থাকে। একে সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট ও বলে। সেন্ট লুইস এর ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল ওফ মেডিসিন এর গবেষকদের মতে, নতুন ফ্যাট ছাড়া পুরাতন ফ্যাট পুড়তে বা ভাংতে পারেনা। ডায়াটারি ফ্যাট শরীরে বিদ্যমান ফ্যাটকে ভাংতে সাহায্য করে PPAR-alpha এবং লিভার। এক্ষেত্রে বেজবল খেলার ট্রেনিং এর সাথে মিলিয়ে চিন্তা করুন, যেমন- তরুন খেলোয়ার মাঠে নামলে ম্যানেজার পুরনো খেলোয়ারকে সরিয়ে নেন, ঠিক তেমনি নতুন চর্বি শরীরে প্রবেশ করলে লিভার পুরাতন চর্বিকে ভেঙ্গে শক্তি নির্গত করার মাধ্যমে শরীর থেকে বাহির করে দেয়।

পেট ভরা রাখে ফ্যাট :


চর্বি খুব সহজে হজম হয়না। তাই অন্য পুষ্টি উপাদানের চেয়ে অনেক বেশি সময় পরিপাক তন্ত্রে থাকে চর্বি। মায়োক্লিনিক এর মতে, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থির রাখতে সাহায্য করে। অর্থাৎ আপনার পেট ভরার অনুভূতি কাজ করে অনেকক্ষণ, ফলে আহারের কিছুক্ষণ পরই পুনরায় আহারের জন্য ফ্রিজে খাবার খুঁজতে হয়না।

স্পেনের পাম্পলোনার ইউনিভার্সিটি অফ নাভারার করা এক গবেষণায় জান যায় যে, বস্তুত ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা এক ধরণের পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড তা শুধুমাত্র খাদ্য থেকেই সংগ্রহ করা সম্ভব। এই ধরণের ফ্যাটি এসিড চমৎকারভাবে ও খুব দ্রুত পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ডিনারের ২ ঘন্টা পরেও ক্ষুধা লাগেনা যদি খাদ্যতালিকায় ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে।

এছাড়াও ফ্যাট আপনাকে সুখানুভূতি দিতে পারে। কারণ ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড মস্তিষ্কের সেরেটোনিনের নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে যা মেজাজের উন্নতি ঘটায়। পেশীর গঠনে সাহায্য করে চর্বি। রেজাল্ট ফিটনেস এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রেইনার র‍্যাচেল কসগ্রোভ বলেন, “ব্যায়ামের পাশাপাশি ভালো ফ্যাট গ্রহণ করলে পেশী বৃদ্ধি পায়”। পেশীর বৃদ্ধির জন্য বিপাকের বৃদ্ধি ও ক্যালরি পোড়ানো অত্যাবশ্যকীয়। ভিটামিন এ, ই, ডি এবং কে সহ এমন অনেক পুষ্টি উপাদান আছে যা চর্বিতে দ্রবণীয়, অর্থাৎ ফ্যাট ছাড়া এগুলো শরীরে শোষিত হয়না। পুষ্টি উপাদান যদি শরীরে ঠিকমত শোষিত না হয় তাহলে ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়। এর ফলে শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্যাট গ্রহণ করুন ও সুস্থ থাকুন।
প্রিয়.কম

মাসিকের ব্যথা কমিয়ে ফেলুন ঘরোয়া ৫ উপায়ে

ঋতুস্রাব মেয়েদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই সময় অনেকের পেট ব্যথা হয়ে থাকে। কারোর কারোর এই ব্যথার পরিমাণ অনেক বেশি এবং প্রকট হয় যা দৈনিক স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাঁধা সৃষ্টি করে। এই ব্যথা উপশমে অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন। এই ওষুধ সব সময় কাজ করে না। ওষুধের পরিবর্তে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই ব্যথা দূর করা সম্ভব।

১। আদা

একটি ছোট আদা কুচি এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। জ্বাল হয়ে এলে এতে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। মাসিক চলাকালীন সময় এটি নিয়মিত পান করুন। এছাড়া প্রতিদিনকার খাবারে আদা রাখুন। আদাতে থাকা উপাদান মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

২। অ্যালোভেরা রস


অ্যালোভেরা রসের সাথে মধু মিশিয়ে একটি জুস তৈরি করে ফেলুন। মাসিকের ব্যথার সময় এটি পান করুন। দিনে কয়েকবার এটি পান করুন। ব্যথা অনেকখানি কমিয়ে দেবে এই পানীয়টি।

৩। দারুচিনি

দারুচিনির অ্যান্টিকোটিং, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান মাসিকের ব্যথা কমিয়ে দেয়। এক কাপ গরম পানিতে এক চার চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন। এরপর এতে মধু মিশিয়ে নিন। তারপর পান করুন। মাসিক শুরু হওয়ার দুই তিন দিন আগ থেকে এটি পান করুন। এছাড়া এক গ্লাস গরম পানিতে আধা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো এবং এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এটিও আপনার মাসিকের ব্যথা দূর করে দেবে।

৪। ধনে বীজ


এক গ্লাস গরম পানিতে ১৫ থেকে ২০ টি ধনে দিয়ে জ্বাল দিন। এক গ্লাস থেকে পানি আধা গ্লাস না হওয়া পর্যন্ত পানি জ্বাল দিন। এবার এটি ঠান্ডা করে পান করুন। এটি মাসিকের ব্যথা কমানোর পাশপাশি রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে।

৫। গাজরের রস

এক গ্লাস গাজরের রস আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে। মাসিক চলাকালীন প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস পান করার চেষ্টা করুন।

টিপস:


১। দেহের শুষ্কতারোধে প্রচুর পরিমাণ পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খান। কেননা এই সময়টাতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।

২। এ সময়টায় কফি-জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কফিতে মূলত ক্যাফেইন থাকে যা রক্তনালীসমূহকে উত্তেজিত করে তোলে।

৩। এই সময় রেড মিট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪। এছাড়া পেটে ব্যথার স্থানে গরম পানির সেঁক দিতে পারেন। গরম পানিতে গোসল আপনাকে আরাম দেবে।

প্রিয়.কম

জেনে নিন দাঁত ব্রাশ করার সঠিক পদ্ধতি

দাঁত ও মুখের সুরক্ষার জন্য প্রতিদিন সকালে এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করি আমরা সবাই। কিন্তু দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম জানা না থাকলে সুরক্ষার বদলে পড়তে হতে পারে সমস্যায়। তাই সবার আগে দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম জেনে নেয়া জরুরি-

১. প্রথম কথা হচ্ছে টুথব্রাশ বাছাই করা। ভালো মানের টুথব্রাশ ব্যবহার করুন, যার শলাকাগুলো বেশি শক্ত বা বেশি নরম নয়। ছোটদের জন্য ছোট আকারের ব্রাশ দরকার, যা ওদের মুখে সহজে আঁটে।
২. পরিমিত মাত্রায় পেস্ট নিয়ে সকালে নাশতার পরে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করুন। সম্ভব হলে ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। শিশুদের জন্য কম ঝাঁজাল টুথপেস্ট বেছে নিন।
৩. ব্রাশের শলাকাগুলো দাঁতের সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কোনাকুনিভাবে ধরে ওপর পাটির দাঁত ওপর থেকে নিচে এবং নিচের পাটির দাঁত নিচ থেকে ওপরে ব্রাশ করুন।
৪. দাঁতের ভেতরে ও বাইরের অংশে সমান সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। তাড়াহুড়া করবেন না। কমপক্ষে দুই মিনিট সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।
৫. তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রাশের শলাকাগুলো বাঁকা হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করতে হবে।
৬. দিনে কম পক্ষে দুবার ব্রাশ করার পাশাপাশি অন্য সময় চকলেট কিংবা মিষ্টিজাতীয় আঠালো খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁত ব্রাশ করুন।

যা করা উচিত নয় :
১. দীর্ঘ সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই। বেশি জোরে ও দ্রুত ব্রাশ করা থেকেও বিরত থাকুন। ব্রাশের আঘাতে যেন মুখগহ্বরের ভেতের ঝিল্লির পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
২. সামনে-পিছে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের গোড়া ক্ষয়ে যেতে পারে। ওপর-নিচে ব্রাশ করুন।
৩. টকজাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা শেখানো অভিভাবকের দায়িত্ব। সুস্বাস্থ্যের জন্য শিশুদের মাছের কাঁটা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

কীভাবে দাঁত ব্রাশ করবেন :

১. মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ পৌঁছে দিন।
২. মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ করুন।
৩. পেছনের দাঁতের ওপর-নিচ সবখানে ব্রাশ করুন।
৪. দাঁতের বাইরের অংশ এক প্রান্ত থেকে শুরু করে অপর প্রান্ত পর্যন্ত অথবা ওপর থেকে নিচের দিকে ব্রাশ করুন।
৫. ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করতে এক থেকে দুই মিনিট সময় নিন।
৬. অল্প পরিমাণে ফ্লুরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং একটি ছোট ও নরম ব্রাশ বেছে নিন।

দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করে যে খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অনেক সময় প্রতিদিন ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করলেও দাঁতের হলদেটে ভাব কাটতে চায় না। এর মূল কারণ হচ্ছে কিছু খাবারে দাঁতে দাগ পড়ে যায় এবং প্রতিদিনের একটু একটু অবহেলায় দাঁতের হলদেটে ভাব স্থায়ী হয়ে যায়। তবে এমন তিনটি খাবার আছে যা দিয়ে দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করা যাবে খুব সহজেই।

চলুন জেনে নেয়া যাক-


স্ট্রবেরি
খুবই সুস্বাদু এই ফলটি দিয়ে ঝকঝকে সাদা করে ফেলতে পারেন নিজের দাঁতগুলো। ২/৩ টি স্ট্রবেরি ভালো করে পিষে নিন। এই পিষে নেয়া স্ট্রবেরি দাঁতে ভালো করে ঘষে নিন। এভাবে দিনে দুইবার ২ সপ্তাহ ব্যবহার করুন। দেখবেন অনেক সাদা হয়ে উঠেছে দাঁত।

তেজপাতার ব্যবহার

তেজপাতা গুঁড়ো করে নিন। এই তেজপাতার সাথে মেশান লেবু বা কমলা লেবুর খোসার গুঁড়ো। ভালো করে মিশিয়ে পাউডারের মতো তৈরি করে নিন। এই পাউডার দিয়ে সাধারণ টুথপেস্টের মতো ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। কয়েক মিনিটেই পেয়ে যাবেন ঝকঝকে সাদা দাঁত।

হলুদের গুঁড়ো
অনেকের ধারণা হলুদের গুঁড়ো বা হলুদ দাঁতের রঙ হলদেটে করার জন্য দায়ী। আসলে কিন্তু তা নয়, বরং হলুদ দাঁত সাদা করতে খুবই কার্যকরী। বিশেষ করে হলুদের মূল। হলুদ বেটে নিয়ে কিংবা হলুদ গুঁড়োতে সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে এই পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। ব্যস, খুবই দ্রুত ঝকঝকে সাদা দাঁত পেয়ে যাবেন।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে দুটি পানীয়

গ্যাস্ট্রিকের কারণে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। খাবার সময় একটু আগে-পরে হলে এবং বেশি ভাজাপোড়া ও তেল মসলা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া পড়লে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বড় আকার ধারণ করা শুরু করে। তবে এই সমস্যার সমাধানও কিন্তু আমাদের হাতেই রয়েছে। বিশেষ কিছু পানীয় রয়েছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা দূর করে দেয়া সম্ভব। চলুন জেনে নিই-

১. পেয়ারা ও কলার পানীয়
পেয়ারা এবং কলা দুটি ফলেই প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। আর এ কারণেই এই পানীয়টি ইনটেস্টিনাল সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

যা যা লাগবে : ২ টি পেয়ারা, ২ টি কলা।

পদ্ধতি : পেয়ারা এবং কলা দুটিই শুকনো ফল তাই এই ফলগুলো ছোট করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নেয়া উচিত। ব্লেন্ড করে বা জুসারে জুস তৈরি করে নিয়ে এই নিয়মিত পানীয় পান করুন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানের জন্য।

২. গাজর ও আলুর পানীয়

গাজর ডেটক্স ফুড নামে পরিচিত যা আমাদের পাকস্থলীসহ দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। এবং আলুর রস আমাদের পেট ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে গাজর ও আলুর পানীয়টি পান করতে পারেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে।

যা যা লাগবে : ২ টি মাঝারি আকারের গাজর, ১ টি মাঝারী আকারের আলু, ১ ইঞ্চি পরিমাণ আদা।

পদ্ধতি : গাজর ও আলু ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট খণ্ড করে নিন। আদা কুচি করে রাখুন। এবার ব্লেন্ডারের দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে জুস তৈরি করে নিন অথবা জুসারে দিয়ে একবারে জুস বের করে নিন। এই পানীয়টি পান করুন নিয়মিত।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব ফল

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অনেকেই মনে করেন যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মিষ্টি ফল খাওয়া উচিত নয়। যদিও এমন কিছু ফল আছে যারা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষ করে রসালো কিছু ফল আছে যারা ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি। যেসব ফলের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম থাকে সে সব ফল ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি। চলুন জেনে নেয়া যাক-

স্ট্রবেরি :
স্ট্রবেরিতে ভিটামিন,অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও ফাইবার থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে শর্করা কম থাকে, ৯২% পানি থাকে এবং এর গ্লিসামিক ইনডেক্স ৪০। স্ট্রবেরি পাকস্থলি ভরা রাখে, এনার্জি প্রদান করে ও রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। আপনি এক কাপের ৪ ভাগের ৩ ভাগ পরিমাণ স্ট্রবেরি খেতে পারেন।

তরমুজ :
তরমুজে বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন বি ও সি,লাইকোপেন এবং পটাশিয়াম আছে। এতে পানি থাকে ৯২%। দিনে ১ স্লাইস তরমুজ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

কমলা :
পুষ্টিকর এই ফলটিতে পানি থাকে ৮৭% যার গ্লিসামিক ইন্ডেক্স খুবই কম। এছাড়াও এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, চিনি কম থাকে এবং ভিটামিন সি ও থায়ামিন থাকে যা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন ১টা কমলা খেতে পারেন।

জাম্বুরা :
ডায়াবেটিস এ আক্রান্তদের জন্য জাম্বুরা একটি নিরাপদ ফল। ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ এই ফলে উচ্চ মাত্রার দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যার গ্লিসামিক ইনডেক্স ২৫ এবং পানির পরিমাণ থাকে ৯১%। এছাড়াও জাম্বুরাতে নারিঞ্জেনিন নামক ফ্ল্যাভনয়েড থাকে যা শরীরের সংবেদনশীলতাকে উদ্দীপিত করে ইন্সুলিন বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন অর্ধেক পরিমাণ জাম্বুরা খেতে পারেন যা আপনার রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

চেরি :
চেরির গ্লিসামিক ইন্ডেক্স মাত্র ২২ এবং এতে ভিটামিন সি, অ্যান্টিওক্সিডেন্ট, আয়রন, বিটা ক্যারোটিন, পটাশিয়াম, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার থাকে। চেরিতে অ্যান্থসায়ানিন থাকে যা ইনসুলিন এর নিঃসরণ বৃদ্ধি করে রক্তের সুগার লেভেল কমায়।তাই দিনে ১ কাপ বা আধা কাপ চেরি খেতে পারেন।

আপেল :
রসালো ও সুস্বাদু ফল আপেল এ ভিটামিন সি, অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। এতে পেক্টিন থাকে যা শরীরের টক্সিন বের হয়ে যেতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিক্সের ইনসুলিন চাহিদা ৩৫% কমায়। তাই দৈনিক ১টা আপেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

খুসখুসে কাশি হলে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

খুসখুসে কাশি একটি বিরক্তকর ও বিব্রতকর অসুখ। একবার কাশি শুরু হলে যেন থামতেই চায় না। যখন তখন, যেখানে সেখানে শুরু হয়ে যেতে পারে কাশি। তাই খুসখুসে কাশি হলে দ্রুত এর নিরাময় দরকার। এর নিরাময়ে রয়েছে ঘরোয়া কিছু উপায়। চলুন জেনে নিই-

সামান্য একটা টুকরা আদা নিয়ে চিবুতে থাকুন। আর দেখুন আপনার কাশি কেমন থেকে যাবে। আপনি চাইলে আদাতে একটু লবণ মিশ্রিত করতে পারেন। প্রতিদিন এই আদা খাওয়াতে আপনার খুসখুসে কাশি অনেকটাই কমে আসবে।

সকাল বিকাল এক কাপ করে তুলসী পাতার চা পান করুন। খুসখুসে কাশিতে অনেকটা আরাম পাবেন। আপনি আপনার কাশির ধরণ অনুযায়ী চা পানের মাত্রা বাড়াতে পারেন।

খুসখুসে কাশির একটি অন্যতম প্রধান কারণ হলো ধূমপান করা। তাই আপনি যদি খুসখুসে কাশিতে আক্রান্ত রোগী হন তাহলে আজই ধূমপানকে না বলুন।

খুসখুসে কাশির একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক নিরাময় হচ্ছে মধু। আপনি যদি খুসখুসে কাশিতে আক্রান্ত হন তাহলে নিয়মিত মধু গ্রহণ করুন। এটি খুব যত্ন সহকারে আপনার এই কাশির সমস্যা কমিয়ে তুলবে।

কাঁচা পেঁয়াজের রস শুকনো কাশির জন্য খুব কার্যকরী। দুই টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন কাশি কমে যাবে।

রাতে যারা এই শুকনো কাশির কারণে ঘুমাতে পারেন না তারা এক টেবিল চামচ কাঁচা হলুদের পেস্ট এক গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। এতে রাতে আপনাকে আর কাশির যন্ত্রণা পেতে হবে না।

আমলা ভিটামিন সি ও মিনারেলের একটি বিশাল উৎস। প্রতিদিন সকালে এক চা চামচ ফ্রেশ আমলা জুসের সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি কেবল আপনার খুসখুসে কাশিই কমাবে না বরং নানা ধরণের রোগ থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

রূপচর্চায় বরফ

ফারিন সুমাইয়া

সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন। রূপচর্চার জন্য আলাদা সময় রাখাটা তাই অনেকটাই কষ্টসাধ্য। তবে আপনার হাতের কাছে অল্প কিছু সামগ্রী কিন্তু হতে পারে রূপচর্চার সহজ সঙ্গী। তেমনই এক সঙ্গী হচ্ছে বরফ। শুধু তৃষ্ণা নিবারণেই নয় বরং রুপচর্চার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনেক।

যারা ব্রণের সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা খুব সহজে ব্রণের প্রকোপ কমাতে পারেন বরফ ব্যবহার করতে পারেন। একটি পরিষ্কার প্ল্যাস্টিকের কাপড়ে বা ব্যাগে ২/৩ টি বরফের টুকরো পেঁচিয়ে নিয়ে ব্যাগটি ব্রণের ওপর ধরে রাখুন ১০ মিনিট। এতে ব্রণের লালচে ভাব দূর হবে এবং ব্রণের আকারও ছোট হয়ে আসবে। প্রতিদিনের ব্যবহারে ব্রণের প্রকোপ থেকে বাঁচবেন।

ঘুম কম হলে কিংবা বেশি হলে আমাদের অনেকেরই চোখের নিচ ফুলে যায়। এতে দেখতে বেশ বিশ্রী দেখায়। এই সমস্যা দূর করবে বরফ।

এক টুকরো বরফ পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে চোখের নিচে ফোলা জায়গায় ধরে থাকুন। এতে ফোলা ভাব কমবে। এবং আপনার রাতের ক্লান্তিও দূর করবে।

শসা এবং স্ট্রবেরি ত্বকের উজ্জলতার জন্য অনেক বেশি কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলতা দ্রুত বৃদ্ধি করতে এই দুটি উপাদানের তৈরি বরফ বেশ কাজে দেবে।

শসা অথবা স্ট্রবেরি যে কোন একটি ব্লেন্ডারে খুব ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এটিকে ডীপ ফ্রিজে রেখে বরফ করে নিন। এই বরফ মুখে ঘষুন সপ্তাহে ১ দিন। বরফটি অনেকটা স্ক্রাবারের মত কাজ করবে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

রোদে পোড়া দাগ দূর করার জন্যও বরফ বেশ ভালো একটি উপাদান। ২/৩ টুকরো বরফ পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে পোড়া স্থানের ওপর ঘষে নিন। এতে পোড়া দাগ দ্রুত মিলিয়ে যাবে।

মেকআপ করার সময় অনেকেই একটি সমস্যার সম্মুখীন হন, তা হলো মুখে মেকআপ বসা নিয়ে। অনেকেই দেখেন মেকআপ মুখে ঠিকমত বসে না। ভাসা ভাসা থাকে। এতে মেকআপের কারণে মুখ আরও বিশ্রী হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধান করবে বরফ।

মেকআপ শুরু করার আগে ২ টুকরো বরফ মুখে ঘষে নিন। এরপর মেকআপ করলে মেকআপ ত্বকে বসবে ভালো। আর মুখ ঘামে মেকআপ নষ্ট হবে না।

Wednesday, June 29, 2016

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কি নাজেহাল আপনি? মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়েও উপযুক্ত ফল পাচ্ছেন না। কিন্তু জানেন কি একটি নিয়ম মেনে চললে প্রাকৃতিক উপায়েই নিরাময় করতে পারেন কোষ্ঠকাঠিন্য।

জেনে নিন কিভাবে?

হেলদি ফ্যাট :

বাদাম, ওলিভ অয়েল, অ্যাভোকেডোর মতো স্বাস্থ্যকর ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে।

গুড় :
প্রতিদিন সকালে এক টেবল-চামচ করে আখ বা খেজুরের গুড় কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। কারণ গুড়ে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ থাকে। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য ম্যাগনেসিয়াম।

আদা চা :

আদা চা খাবার তাড়াতাড়ি পাচন করতে সাহায্য করে।

মিন্ট চা :
মেন্থল বা পিপারমেন্ট দেয়া চা শরীরের পাচনতন্ত্রের পেশিগুলোকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রোজ সকালে এক কাপ করে মিন্ট চা কিন্তু আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে পারে।

আলুবোখারা :

আলুবোখারাতে প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে আপনাকে উপশম দেবে।

ডুমুর :
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ডুমুরেরও জুড়ি মেলা ভার।

পানি :

সারা দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি খেতে হবে। কম পানি খাওয়ার জন্য অনেক সময় শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে এই সমস্যা প্রকট হয়ে ওঠে।

দুশ্চিন্তা :
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সবার আগে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হন। ইন্টারনেট।

ওষুধ না খেয়েও নিয়ন্ত্রণে রাখুন রক্তচাপ

ব্যাস্ত কর্মক্লান্ত জীবনে রক্তচাপ একটি কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাত্যহিক রুটিনে ঘুম কমছে, কমছে বিশ্রাম। ফলাফল- বাড়ছে রক্তচাপ। চিকিত্‍সকদের মতে, শরীরে রক্তচাপ বৃদ্ধির মূল কারণ লাইফস্টাইল। জীবনশৈলীতে কিছু পরিবর্তন আনলে ওযুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন রক্তচাপ। কিন্তু কীভাবে?

দিনে ৭ ঘণ্টা ঘুমোন : যারা রাতে পাঁচ ঘণ্টা কিংবা তাঁর কম সময় ঘুমোন, তাঁদের রক্তচাপ বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। কম ঘুমোলে হরমোনের নিয়ন্ত্রণ এলোমেলো হয়ে যায়। ফলে আরও বাড়ে রক্তচাপ। রাতের ঘুম হতে হবে গাঢ়। বয়স বাড়লে ঘুম কমে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমান।

লবণ কম খান : লবণ বেশি খেলে শরীরে জলের পরিমাণ বাড়ে। শরীরে বেশি জল জমলে বাড়ে রক্তচাপ। ওজন বেশি হলে এবং লবণ বেশি খেলে হতে পারে হার্টের রোগ। অতএব বিপদ এড়াতে নুনে জারানো প্রক্রিয়াকরণ করা মাছ-মাংস খাওয়া কমান। খাবার টেবিল থেকে সরিয়ে দিন লবণ।

সপ্তাহে শরীরচর্চা করুন অন্তত ১৫০ মিনিট : পূর্ণবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাল্কা ব্যায়াম কিংবা ৭৫ মিনিটের ভারী ব্যায়াম করা জরুরি। ব্যায়ামই হল ওষুধ ছাড়া রক্তচাপ কমানোর মূল চিকিত্‍সা। রোজ ব্যায়াম করলে আপনার হার্টের জোর বাড়ে। শক্তিশালী হার্ট অনায়াসে বেশি পরিমাণে রক্ত সঞ্চালন করতে পারে। ব্যায়াম করার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসছে কিনা বুঝতে সময় লাগবে অন্তত তিন মাস।

নিয়মিত ধ্যান করুন ১০মিনিট : শরীরে অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ বেশি হলে শ্বাস দ্রুততর হয়। হার্টের গতি বাড়ে, বাড়ে রক্তচাপ। এই অবস্থা এড়াতে হলে মনকে সুস্থ ও উদ্বেগ থেকে মুক্ত রাখতে হবে। স্ট্রেস কমাতে মনঃসংযোগ করে প্রতিদিন ধ্যান করুন অন্তত ১০ মিনিট।

তাজা ফল ও সবজি খান- যেসব ফল ও সবজিতে ফ্যাটের পরিমাণ কম সেগুলি রক্তচাপ কমায়। ফল ও সবজির মধ্যে থাকা ভিটামিন,খনিজ ও ফাইবার শরীরকে সুস্থ রাখে। পটাসিয়াম থাকার কারণে আলু ও রাঙালু শরীরে লবণের প্রভাব খর্ব করে। অতএব রক্তচাপ কমাতে নিয়মিত খান ফল ও সবজি।

ওজন কমান : শরীরের টিস্যুতে ফ্যাট জমলে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। তাতে চাপ পড়ে হার্টের ওপর। ওজন বেশি থাকলে অন্তত দু-তিন কেজি ওজন কমানো উচিত। সোজা কথায়, যতটা ক্যালরি আপনি পোড়াবেন তার চেয়ে কম খাবেন।

Tuesday, June 28, 2016

সারাদিন অলস লাগে? জেনে নিন আলস্য কাটানোর সহজ উপায়

সকালে বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করে না? অথবা অফিসে বা কাজের জায়গায় গিয়েও কাজে এনার্জি পান না? তাহলে কীভাবে আলস্য কাটাবেন,

জেনে নিন...

বিছানা ছেড়ে উঠতেই ইচ্ছে করে না?

১. সারাদিনে বেশি করে জল খান। অথবা এমন খাবার খান যার মধ্যে জলের পরিমাণ বেশি থাকে। যেমন বেশি করে সাধারণ স্যালাড অথবা ফ্রুট স্যালাড খেতে পারেন।

২. ফাইবার যুক্ত খাবার বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন আপেল, ন্যাসপাতি, বিভিন্ন ধরনের ডাল, পালন শাক ইত্যাদি।

৩. হাল্কা ব্রেকফাস্ট খাওয়ার অভ্যাস করুন। যেমন দুধ, কর্নফ্লেক্সের মতো খাবার খাওয়া উচিত।

৪. দিনে একাধিকবার কফি খাবেন না। কারণ, কফি শরীরের জল শুষে নেয়। সকালে বা দিনের অন্য সময়ে গ্রিন টি খেতে পারেন। গ্রিন টি-র সঙ্গে একটু মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিলে চায়ের স্বাদ যেমন বাড়বে, আপনার শরীরের পক্ষেও তা উপকারী হবে।

৫. অকারণে বেশি ভাজাভুজি না খেয়ে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স খাওয়ার চেষ্টা করুন। আমন্ড, কাজু-সহ বিভিন্ন বাদামের মিক্সচার খেতে যেমন ভাল লাগবে, আপনার শরীরেরও ক্ষতি করবে না।

সুত্রঃ এবেলা

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স

মেয়েদের ক্ষেত্রে মা হওয়ার সঠিক বয়স নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান বিচার্য বিষয় হয় শরীর। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে শুধু শরীর নয়, তার সঙ্গে আরও অনেক কিছু। এটা ঠিক যে, পুরুষের ওপরই শুধু সংসার চালানোর দায়িত্ব এমন ধারণা এখন পুরনো। তবুও, বড় দায়িত্বটা থেকে যায় ছেলেদেরই। তাই ছেলেদের সংসার শুরু করার, বাবা হওয়ার জন্য অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। আর শারীরিক প্রস্তুতির থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও মানসিক প্রস্তুতি।

২৫ বছর বয়স হলেই অনেক ছেলে 'বিয়ে-বিয়ে' করতে শুরু করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটা বাস্তবায়িত হয় ৩০-এর পর। ইদানীং বহু ছেলেই ৩৫ পার করে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। কারণ, চাকরি বা ব্যাবসা শুরু করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বাড়ি-ঘর বানানো, বিভিন্ন পারিবারিক দায়িত্ব সামলাতে সামলাতে ৩৫ বছর বয়স হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রে আরও সময় লাগে। এর পরে বিয়ে, তার পরে সন্তান।

এটা ঠিক যে শারীরিকভাবে নারীর তুলনায় পুরুষ বেশিদিন সক্ষম থাকে। তা ছাড়া সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকাও অনেক কম। তবে বয়স ৪০ টপকালেই বিভিন্ন অসুখ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। আর তাতে অনেক সময়েই স্পার্ম কাউন্ট কমে। এর ফলে সন্তানের জন্মদান সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। তাই চিকিৎসকরা বলছেন, ৪০ বছর পার করার আগেই বাবা হওয়া উচিত। বেশি বয়সে সন্তান হলে শিশুর শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনাও থাকে।

বেশি বয়সে পিতৃত্ব আরও বড় সমস্যা তৈরি করে সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে। সাধারণভাবে একজন মানুষের আয় বেশি থাকে ৩৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে সন্তানকে বড় করে তোলা আর্থিক দিক থেকে সহজ। তা ছাড়া, বেশি বয়সে সন্তান মানে ছেলেমেয়ের সঙ্গে বয়সের ফারাকটাও বেড়ে যাওয়া। আর সেই ফারাক মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাবা হওয়ার ক্ষেত্রে একটা হিসেব মাথায় রাখা উচিত যাতে ৫৪ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম সন্তান গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করতে পারে। সেই হিসেবে ৩৩ বছর বয়সটাই বাবা হওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়। তবে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

জানেন আপনার নখ কতটা বিষাক্ত?

খাওয়ার আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস এখন বেশির ভাগ মানুষেরই আছে। তবে নখের ক্ষেত্রে ঠিক তার বিপরীত। অনেক সচেতন মানুষ শুধু ফ্যাশনের জন্য নখ পরিষ্কার না করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনেন।

মানুষ সৌন্দর্যের জন্য হাতের নখ বাড়ায়। নানা রংয়ের নেইলপলিশ ব্যবহার করে। হাল আমলে জনপ্রিয় হয়েছে নেইল আর্ট। নখের পরিচর্চায় চলে ম্যানিকিওরও। কিন্তু জানেন কি, নখের নিচে ঠিক কতটা বিষ লুকিয়ে থাকে?

১. নখের নিচে লুকিয়ে থাকা নোংরা ও জীবাণু পিনওয়ার্ম-এর মতো সংক্রমণ ছড়ায়।

২. নখের নিচের মাংসল অংশ, যাকে সাব-আংগুয়াল রিজিয়ন বলে। এখানে শত শত ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়।

৩. অনেকে আবার কৃত্রিম নখ লাগান। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে বেশি ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।

৪. কৃত্রিম নখ পরিষ্কার করাও অনেক ঝক্কির বিষয়।

৫. নখ বড় রাখলে আপনি ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত হতে পারেন।

ডাক্তারদের তাই পরামর্শ, কৃত্রিম নখ না লাগানোই ভালো। নখ রাখতে হলে রাখুন। কিন্তু বেশি বড় করবেন না। নিয়মিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে নখ পরিষ্কার করুন।

ডিভোর্সি পুরুষকে বিয়ে করার আগে ৮ বার ভাবুন

বিয়ে করতে চলেছেন।জীবনে একটু দেরি করেই নিয়েছেন সিদ্ধান্তটা। অথবা হতে পারে এটা আপনারও দ্বিতীয় বিয়ে। তো যাকে বেছেছেন বিয়ে করার জন্য তিনি ডিভোর্সি।

সিনেমার অভিনেত্রীরা হামেশাই ডিভোর্সি পুরুষদের বেছে নিলেও সাধারণ ভাবে এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছু দিক সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার। পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত কিছু প্রশ্নের উত্তরও। জেনে নিন কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন।

০১. ডিভোর্স: অনেক সময়ই বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও অনেকে আইনি ঝামেলায় যেতে চান না। তাই অনেক ক্ষেত্রেই আইনি বিচ্ছেদ হয় না। এ ক্ষেত্রে কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে বেআইনি। তাই আগে নিশ্চিত হয়ে নিন ডিভোর্স হয়েছে কিনা।

০২. ডিভোর্সের কারণ: অনেক সময়ই ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে খোলাখুলি বলতে চান না। তিক্ত স্মৃতি বলে এড়িয়ে যান। আপনার সহানুভূতি পেতে অনেক কিছু লুকিয়ে নিজের দিক থেকে বলেন। তাই ডিভোর্সের প্রকৃত কারণ অবশ্যই অনুসন্ধান করুন।

০৩.আগের স্ত্রী: অনেক সময় ডিভোর্সের পরও আগের স্ত্রীর প্রতি কিছু টান থেকে যায়, অনেক সময় উনি বেরিয়ে আসতে চাইলেও স্ত্রী বেরোতে না পারার জন্য তার জীবনে নানা ভাবে সমস্যা তৈরি করতে পারেন। এমন কোনও সম্ভাবান রয়েছে কিনা তা আগে থেকে বুঝে নিন।

০৪. সন্তান: যাকে বিয়ে করতে চলেছেন তার যদি আগের বিয়ের সন্তান থেকে থাকে তাহলে কিন্তু পুরো সম্পর্কটাই অন্যভাবে দেখতে হবে আপনাকে। আগের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও সন্তানের সঙ্গে কিন্তু ওঁর সম্পর্ক আজীবন থাকবে।

০৫. আর্থিক দিক: একজন সিঙ্গল পুরুষের তুলনায় অনেক সময় ডিভোর্সি পুরুষের আর্থিক দায়িত্ব বেশি থাকে। বিশেষ করে যদি আগের স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হয়। আপনাকে ঠিক কতটা দায়িত্ব নিতে হবে, উনি কতটা আর্থিক দায়িত্ব নিতে পারবেন তা আগে থেকে বুঝে নিন।

০৬. এক্সট্রা ব্যাগেজ: ডিভোর্স কিন্তু একটা জটিল ও কষ্টদায়ক প্রক্রিয়া। আগের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে অনেকেরই সময় লাগে।বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার সঙ্গী এখনও আগের সম্পর্কের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন না তো?

০৭. প্রত্যাশা: একেক জন ডিভোর্সি পুুরুষের পরিস্থিতি সামলানোর প্রক্রিয়া একেক রকম হয়। কেউ আগের ভুলগুলো সম্পর্কে সচেতন হন।কেউ আবার নতুন সম্পর্ক ধরে রাখতে বেশি পজেসিভ হয়ে পড়েন। আপনার সঙ্গীর প্রত্যাশা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখুন।

০৮. প্রশ্ন: কেন আপনি একজনকে ডিভোর্সিকে বেছে নিলেন? কেন তার আগের বিয়ে টেঁকেনি? এ সব অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। উত্তরগুলো নিজের কাছে পরিষ্কার রাখুন। কী ভাবে সামলাবেন তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখুন।

যে কারণে কখনোই সম্পর্কে ইতি টানতে নেই

সম্পর্কে ভাঙা-গড়ার খেলা থাকবেই। অনেক গভীর সম্পর্কও ভেঙে যেতে পারে। টিনএজারদের অভিজ্ঞতার অভাবে প্রেমের সম্পর্ক অহরহ ভেঙে যায়। আবার দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সম্পর্কটাও টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাই ঘটুক না কেন, সহজে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া উচিত নয়। সাধারণত দেখা যায়, বড় সমস্যার কারণে দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকারা সম্পর্কের ইতি টানছেন। এটা স্থায়ী বা অস্থায়ী হতে পারে। তবে যাই হোক না কেন, পরবর্তীতে আরো বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়। পেছনের গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. সম্পর্ক ভাঙনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কারণ না থাকলে তা দারুণ সমস্যার সৃষ্টি করে। এ ক্ষেত্রে দুজনই একে অপরের ত্রুটি দেখাতে থাকেন। আন্তযোগাযোগে অসংখ্যা ভুল উঠে আসে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, একই ঘটনার কারণে সত্যিকার যেকোনো সম্পর্কে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।

২. এ কাজে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতর অবনতি ঘটতে থাকে। ভাঙনের আয়োজন নিয়েও অনেক সময় তা টিকে যায়। এমন হলে দ্বিতীয়বার আবারো সমস্যার সৃষ্টি হলে তা আবারো ভাঙার চিন্তা করা উচিত নয়। এতে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে।

৩. সম্পর্কে যেসব সমস্যার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ভাঙনের পরিকল্পনার মাধ্যমে তার কোনো কিছুই দূর হবে না। কিন্তু সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চিন্তা আপনাদের ভালোবাসাকে আরো দৃঢ় করবে। এর পেছনে সময় দিন।

৪. ভাঙনে যাওয়া উচিত নয়। অনেকের সম্পর্ক ভাঙার পরও আবারো তারা একে অপরের সঙ্গে জুড়ে যান। এ ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ভাঙনের ইতিহাসটা একটা ক্ষত হয়ে থাকে। এটি সহজে সারে না।

৫. অস্থায়ীভাবে একজন অপরজন থেকে দূরে দূরে থাকলেও ক্ষতি আছে। এতে সম্পর্কে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। দুজনের মানসিকতায় পরিবর্তন আসতে থাকে। ফলে পরবর্তীতে এ ঝক্কি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না।

৬. যে পক্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত আসুক না কেন, মনে ক্ষোভ জমা হতে থাকে। এই ক্ষোভ সহজে মন থেকে চলে যায় না। ঝামেলা মিটে যাওয়ার পরও মনের এই যাতনা ফিরে আসতে পারে।

৭. আসলে এর কোনো প্রয়োজনই নেই বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আসলে সম্পর্কে ভাঙনের বিষয়টি পুরোপুরি অপরিপক্কতার নিশানা। আপনাদের একজন বা উভয়ই অপরিণত মানুষের আচরণ দেখাচ্ছেন। কাজেই নিজের মানসিকতার বিকাশ ঘটান। সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

৮. অনেকে সম্পর্কে ধরন বুঝতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলানোর চিন্তা করেন। যেমন- কেউ ভাবলেন যে, কিছু দিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থেকে দেখা যাক আসলে তাকেই ভালোবাসেন কিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, এ বিরতির পর কেউ আর কারো কাছে ফিরে আসেন না।

৯. ক্ষণস্থায়ী ভাঙনের ক্ষোভ থেকে অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে মানসিক পেরেশানি সৃষ্টি হয়। মনে হতে থাকে, প্রতারণা করছেন কিংবা প্রতারিত হচ্ছে। আর এ কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসা যায় না।

১০. দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে আলোচনাই একমাত্র সমাধান হতে পারে। চটজলদি সিদ্ধান্ত এখানে না নেওয়াই ভালো। ভাঙনের কথা চিন্তাই করতে নেই। অতীতে এর চেয়ে আরো বাজে সময় নিশ্চয়ই পার করে এসেছেন।

১১. জীবনের নিজের জন্যে কিছু সময় প্রয়োজন হয়। যদি এই সময় বের করে নিতে অস্থায়ী ভাঙনের কথা চিন্তা করেন, তবে ক্ষতিটা হয়েই যাবে। নিজের সময় আপনাকে চলতি পরিস্থিতির মধ্যেই বের করে নিতে হবে।
সূত্র : এমএসএন

রক্ত, সাপ, পাখির মল দিয়ে ফেসিয়াল...

রূপ ও লাবণ্য ধরে রাখতে বেশির ভাগ মহিলাই ছুটে যান বিউটি পার্লারে। কী না করান সময় ব্যয় করে। নিয়মিত ফেসিয়াল করান নামিদামি প্রসাধনীর সাহায্যে। গোল্ড ফেসিয়াল, পার্ল ফেসিয়ালের রয়েছে আরও অনেক ধরন। কিন্তু কখনও ব্লাড ফেসিয়াল বা প্ল্যাসেন্টা ফেসিয়ালের নাম শুনেছেন? এমনই সব ফেসিয়াল রয়েছে সারা বিশ্বে, যা শুনলে শিউরে উঠবে শরীর :

ব্লাড ফেসিয়াল :
ধমনীতে প্রবাহিত রক্ত নাকি ফেসিয়ালের প্রধান উপাদান। ভাবুন একবার! ব্যক্তির শরীর থেকে সিরিঞ্জে করে রক্ত বের করে ত্বকের ওপর প্রয়োগ। কিছুক্ষণ রেখে জল দিয়ে ধোয়ার পর জেল্লা ঝিলিক দিয়ে ওঠে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে নাকি এই ফেসিয়াল খুব কার্যকরী। ব্লাড ফেসিয়ালের অন্যতম ভক্ত হলিউড তারকা কিম কার্দাশিয়ান।

স্নেক ম্যাসাজ :
দুর্বলচিত্তের মানুষ হলে ভুলেও ট্রাই করতে যাবেন না। আস্ত একটা সাপ সারা শরীরে ম্যাসাজ দেবে। ইন্দোনেশিয়া ও ইসরায়েলের মহিলাদের মধ্যে যদিও এই স্নেক ফেসিয়াল খুব জনপ্রিয়।

ক্যাকটাস ফেসিয়াল :
ক্যাকটাসের মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অ্যাকনে উপাদান ত্বকের জন্য কার্যকরী। তা ত্বকের নানা সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে।

পাখির মল দিয়ে ফেসিয়াল :
অবাক কাণ্ড হলেও বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাখির মল নাকি ত্বকের জন্য ভালো। জাপানে খুব জনপ্রিয় এই ফেসিয়াল। নিমেষের মধ্যে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

শামুক দিয়ে ফেসিয়াল :
বিশেষজ্ঞদের মতে, শামুকের শরীর থেকে যে লালা বা শ্লেষ্মা বের হয়, তা ত্বকের জন্য খুব উপযোগী। কারণ, তার মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া, যা ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। ত্বকে যাতে বয়সের ছাপ না পড়ে, তার জন্য এই ফেসিয়াল কার্যকরী।

যেভাবে বুঝবেন লিভারের ক্ষতি হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক :


লিভার আমাদের শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির দিকে নজর রাখা জরুরি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যায়াম লিভারকে স্বাস্থ্যকর রাখে।


লিভারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়। এর মধ্যে লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার, সিস্টিক ডিজিজ, হেপাটাইটিস প্রচলিত সমস্যা।


স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কিছু লক্ষণের কথা, আর লিভার কীভাবে ভালো রাখা যায় সে বিষয়ও।


লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ


ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া
প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হওয়া
ত্বকের স্পর্শকাতরতা বৃদ্ধি পাওয়া।
শরীরে পানি আসা।
পেটের মধ্যে পরিবর্তন আসা।
বমি ও বমি বমি ভাব।
হজমে সমস্যা হওয়া।
লিভার শক্তিশালী করবেন যেভাবে


মদ্যপান করার অভ্যাস থাকলে এটি সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।
যত দ্রুত পারা যায় ধূমপান ত্যাগ করুন।
প্রাণিজ প্রোটিন ও লবণ কম খান।
রসুন, হলুদ, আপেল, ব্রকলি ইত্যাদি খান।
প্রতিদিন দুই থেকে তিন কাপ গ্রিন টি খান।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান। লেবু, কমলা, আমলকী, মরিচ ইত্যাদি খান।
ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়া জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
ওজন বেশি হলে কমানোর চেষ্টা করুন।
ডায়াবেটিস থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

Monday, June 27, 2016

নারকেল তেলের ফেসওয়াশ!

অনলাইন ডেস্ক :


আমরা জানি, নারকেল তেল চুল ও ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। আজকাল আমাদের ত্বকের কালচে ভাব, ব্রণ, মেছতা, অ্যালার্জি ইত্যাদি খুবই সাধারণ কিছু সমস্যা।


আর এসব সমাধানের জন্য রূপ বিশেষজ্ঞরা কৃত্রিম নয়, বরং প্রাকৃতিক বা হারবাল উপাদান ব্যবহারেরই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।


নারকেল তেল এমনই একটি উপাদান, যা ব্যবহার করে অসাধারণ ফেসওয়াশ তৈরি করে সহজেই ঘরে বসে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।


কী কী উপাদান লাগবে এবং কীভাবে ব্যবহার করবেন এই ফেসওয়াশ, এ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের জীবনধারা বিভাগে।


যা যা লাগবে


দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল, দুই-তিন ফোঁটা চা-গাছের তেল, দুই ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল ও এক টেবিল চামচ মধু (ব্যবহার নাও করতে পারেন)।


যেভাবে ব্যবহার করবেন


১. প্রথমে সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।


২. এবার ভালো করে নাড়িয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন।


৩. কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিতে পারেন (যদি আপনি তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী হয়ে থাকেন)।


৪. ভেজা মুখে মিশ্রণটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন।


৫. সবশেষে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।


মিশ্রণটি যদি বেশি তৈলাক্ত মনে হয়, আপনি আরো কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। ভালো ফলাফলের জন্য এই ফেসওয়াশ সপ্তাহে অন্তত তিন-চারবার লাগান।


এটি আপনার ত্বককে শুধু পরিষ্কারই করবে না, সঙ্গে ত্বকের দাগ, কালচে ভাবসহ নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।

Sunday, June 26, 2016

শুষ্ক ত্বকের পাঁচটি ফেসপ্যাক

অনলাইন ডেস্ক:


অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক আপনার সৌন্দর্যকে পুরোপুরি ফুটে উঠতে দেয় না। তা ছাড়া সব সময় ত্বকে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত ভাব লেগেই থাকে। মেকআপ করেও যেন এই শুষ্কতা লুকানো যায় না!


দূষণ, সূর্যের অতিরিক্ত বেগুনি রশ্মি, ধুলোবালি ইত্যাদি আপনার ত্বকের এই শুষ্কতার জন্য দায়ী।


পারলার বা বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার না করে ঘরোয়াভাবেই দূর করতে পারেন এই সমস্যা। কী কী উপাদান আপনার ত্বকের শুষ্কতা দূরে করতে সাহায্য করবে এবং কীভাবে তা ব্যবহার করবেন এই বিষয়ে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ন্যাচারাল বিউটি টিপস ওয়েবসাইটে।


অয়েল থেরাপি


গোসলের আগে অলিভ, নারিকেল বা বাদামের তেল নিয়ে হাত, পা ও শরীরের বাকি অংশে লাগিয়ে রাখুন। তেল হালকা গরম করে নিলে আরো ভালো হয়। এই থেরাপি আপনার ত্বককে করবে ভেতর থেকে কোমল ও মসৃণ।


গ্লিসারিন


গ্লিসারিন এমন একটি উপাদান যা আপনার ত্বকের শুষ্কতা শুষে নিয়ে ত্বককে দ্রুত মসৃণ করে। গ্লিসারিনের সঙ্গে মেশাতে পারেন সমপরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপজল। সারা রাত মিশ্রণটি আপনার মুখ ও শরীরের অন্যান্য অংশে লাগিয়ে রাখুন। একবার বানিয়ে ফ্রিজে অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।


অলিভ অয়েল ও ডিমের কুসুমের প্যাক


অলিভ অয়েল ও ডিমের কুসুম উচ্চমানের প্রোটিন ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ দুটি উপাদান। একটি পাত্রে অলিভ অয়েল ও দু-একটি ডিমের কুসুম নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিটের পর ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া সঙ্গে মেশাতে পারেন কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও গোলাপজল। প্যাকটি কাজ করছে কি না নিজেই উপলব্ধি করতে পারবেন।


কলা ও দইয়ের প্যাক


কলা ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অন্যতম কার্যকরী উপাদান। একটি কলা হাতে চটকে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া কলার সঙ্গে দই মিশিয়েও প্যাক বানাতে পারেন। এই উপাদান দুটি শুধু ত্বকের শুষ্কতাই দূর করবে না, ত্বকের ওপর থেকে মৃত কোষগুলো পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে। প্যাকটি ৩০ মিনিটের জন্য রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Saturday, June 25, 2016

কেন মেয়েদের মাইগ্রেন বেশি হয় ?

অনলাইন ডেস্ক :


পুরুষদের থেকে মেয়েদের মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার পরিমাণ প্রায় চারগুণ বেশি বলা যায়৷ ক্রনিক অসুখের মধ্যে মাইগ্রেন এমন একটা অসুখ যেটা প্রায় অনেকের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়৷ চলতি ভাষায় মাইগ্রেনকে অনেকে আধকপালিও বলে থাকেন৷ নাম থেকেই স্পষ্ট যে মাইগ্রেনের ব্যথা মাথার দিকেই সাধারণত বেশি অনুভূত হয়৷


তবে কেন মেয়েরাই বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হন সেটা এখনও সঠিকভাবে জানা না গেলেও নিউরোলজি জার্নালের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মনে করা হয় মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের তারতম্যের কারণেই মাইগ্রেনের জন্য কিছুটা হলেও দায়ী৷ অন্য দিকে পুরুষদের টেস্টোটেরন হরমোনের তারতম্য তুলনা মূলক ভাবে কম হওয়ায় মাইগ্রেন হওয়ার প্রবণতাও কম থাকে৷


ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আবার জানা যায় মাইগ্রেনে আক্রান্ত মেয়েদের মধ্যে হার্টের বিভিন্ন অসুখ যেমন--- হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক এ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেক বেশি থাকে যে সব মেয়েরা প্রায় নিয়মিত মাইগ্রেনে ভোগেন, তাদের মধ্যেই হার্টের অসুখ জনিত কারণে মৃতু্যর হার বেশি সংখ্যক লক্ষ্য করা যায়৷ যদিও এটা এখনও স্পষ্ট নয় যে কেন মাইগ্রেনের কারণে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়৷ তবে এটা মনে করা হয় যে কোনও জিনগত কারণে বা রক্ত ধমনীতে কোনও রকম ত্রুটির কারণে হার্টের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়৷


মাইগ্রেনের ব্যথা কষ্টকর হলেও এটা পুরোপুরি সারাবার মতো কোনও চিকিত্সা পদ্ধতি এখনও অবধি খুঁজে পাওয়া যায়নি, তাই ব্যথা হলে ব্যথা কমানোর ওষুধই একমাত্র ভরসা যার হাত ধরে সাময়িক ভাবে হলেও কিছুটা আরাম পাওয়া যাবে৷


মাইগ্রেনে আক্রান্ত হলে কতগুলো জিনিস যদি মেনে চলা যায় তাহলেও ব্যথার প্রকোপ ক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ যেমন :


১) মাইগ্রেনে আক্রান্ত হলে চকোলেট, সফটড্রিঙ্কস এমনকী চকোলেট ফ্লেভারের আইসক্রিম, পেস্ট্রি পর্যন্ত খব কম খাওয়া উচিত্৷


২) সরাসরি রোদ দীর্ঘক্ষণ যাতে মাথায় না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন৷ এক্ষেত্রে রোদে বেরোনোর সময় ছাতা ব্যবহার করা আবশ্যক৷

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে অলিভ অয়েল

অনলাইন ডেস্ক :


অলিভ অয়েলয়ের মধ্যে হাইড্রোক্সিটাইরোসল নামক এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে যা পোস্টমেনোপজাল মহিলাদের স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম৷ হাউস্টন মেথোডিস্ট ক্যান্সার সেন্টারের মেডিক্যাল অঙ্কোলজিস্ট তেজল পাটেল তার গবেষণায় এমনই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন৷


তিনি জানিয়েছেন, স্তন ঘনত্ব ও স্তন ক্যানসারের মধ্যে একটি পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে৷ স্তনের ঘনত্ব এক শতাংশ বৃদ্ধি পেলে তা স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনাকে প্রায় দুই শতাংশ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম৷


অলিভ অয়েল থেকে এমনিতেও হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ ও স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়৷ তবে স্তন ক্যান্সার রোধে এটি কতটা উপযোগী তা দেখার জন্য তেজল মোট ১০০ জন রোগীকে তার পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত করেন৷ তাদের মধ্যে ৫০ জনে মনোপজ এখনও শুরু হয়নি এবং বাকি ৫০ জনের মনোপজ শুরু হয়ে গেছে৷


এই রোগীদের প্রতিদিন ২৫ মিলিগ্রাম হাইড্রোক্সিটাইরোসল ক্যাপসুল ১২ মাস ধরে নিয়মিত খেতে বলা হয় এবং ৩ মাস অন্তর ডাক্তারি চেকআপ করা হয়৷ এতে কেন প্ল্যাসিবো কন্ট্রোল ছিল না৷ গবেষকেরা দেখেন হাইড্রোক্সিটাইরোসল স্তনের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে সক্ষম৷ এছাড়াও তারা এই কেমিক্যালের সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলিও পর্যবেক্ষণ করেন৷

Friday, June 24, 2016

হেলমেট ব্যবহারে কি টাক পড়তে পারে?

অনলাইন ডেস্ক


আমাদের ধারণা‚ হেলমেট বা টুপি পরলে মাথার স্কাল্প ঠিক করে নিশ্বাস নিতে না ফলে চুল ঝরে গিয়ে‚ টাক পড়ে যায়। এজন্য অনেক পুরুষ আছেন যারা চুল উঠে যাওয়ার অজুহাতে হেলমেট পরা ছেড়ে দেন। কিন্তু এটা কিন্তু মিথ ছাড়া কিছুই নয়। কারণ আমাদের হেয়ার ফলিকল কিন্তু মোটেই বাইরের থেকে অক্সিজেন নেয় না। রক্তের মাধ্যমেই চুলের গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছে।


তবে নোংরা হেলমেট বা টুপি পরলে চুলের গোড়ায় ইনফেকশন হয়ে চুল উঠে যেতে পারে। কিন্তু পরিষ্কার হেলমেট বা টুপি পরলে সমস্যা হবে না। তাই পুরুষরা হেলমেট বা টুপি পরলে চুল উঠে যেতে পারে বলে যে ধারণা সমাজে বিদ্যমান তার একেবারেই ভুল।


তাহলে পুরুষদের অকালে চুল পড়ে যাওয়ার কারণ? অল্প বয়সে চুল পড়ে যাওয়া অনেক সময় হেরিডেটারি হতে পারে। কিন্তু এটা বেশির ভাগ সময় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হেরিডেটারির থেকেও স্ট্রেস‚ অপরিণত পুষ্টি‚ হরমোনাল পরিবর্তন এবং অত্যাধিক স্মোকিং এর কারণে অসময়ে টাক পড়ে যেতে পারে।


হেলমেট এবং টুপি কীভাবে ব্যবহার করবেন তার কিছু টিপস : সব সময় ধীরে ধীরে হেলমেট বা টুপি পরুন। মাথা থেকে খোলার সময়ও তাই করুন। তাড়াহুড়ো করে বা জোর করে হেলমেট বা টুপি খুললে চুল কিন্তু উঠে যেতে পারে।


সব সময় পরিষ্কার হেলমেট বা টুপি পরুন। অপরিষ্কার হেলমেট বা টুপি কিন্তু চুল ওঠার প্রধান কারণ হতে পারে।| যদি দরকার হয় তো মাথা একটা পরিষ্কার রুমাল দিয়ে ঢেকে নিন। তারপর হেলমেট পরুন।

ঈদে ঝলমলে চুল পেতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক


ঈদে চাই বাড়তি সাজ, বাড়তি সৌন্দর্য্য। পোশাকে চমকের সঙ্গে সঙ্গে ত্বক, চুল, নখ সবকিছুতেই থাকতে হবে চমক। বিশেষ করে সুন্দর চুলের প্রতি দুর্বলতা নারী-পুরুষ সবার। কিন্তু বাইরের ধুলো-ময়লা, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি দিন দিন আপনার চুলকে রুক্ষ করে দিচ্ছে। ঈদে ঝলমলে চুল দিয়ে সবাইকে চমকে দিতে তাই একটু আগেভাগেই যত্ন শুরু করা জরুরি। চুলের যত্নে রইলো কিছু ঘরোয়া টিপস, যা আপনার চুলকে করে তুলবে সুস্থ, সুন্দর আর স্বাস্থ্যবান।


তেল :
নারকেল তেলকে বলা হয় সবচেয়ে ভালো ভেষজ কণ্ডিশনার। রাতে ঘুমানোর আগে এই তেলের মিশ্রণ হালকা গরম করে নিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। চুলের প্রতিটি গোড়ায় যেন তেল পৌঁছায় সেজন্য একটু সময় নিয়ে আস্তে আস্তে পুরো চুল আর তালুতে তেল ম্যাসাজ করতে হবে। সারা রাত রাখা সম্ভব না হলে গোসলের ১ ঘণ্টা আগে চুলে তেল দিয়ে তারপর শ্যাম্পু করে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ বার যদি এটা করা যায়। ১ মাসের মধ্যেই চুল পাতলা ভাব কমে আসবে, চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। চুল হবে রেশমি, ঝলমলে ও স্বাস্থ্যবান।


ডিম :
একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর পরিষ্কার চুলে সরাসরি হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত লাগাতে হবে। তারপর হালকা ঝুটি করে নিন বা শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ২০-৩০ মিনিট রেখে নরমাল পানিতে চুল ধুয়ে নিন এবং শ্যাম্পু করুন। যেদিন ডিম দেবেন সেদিন আর আলাদা করে কন্ডিশনার দেবার প্রয়োজন নেই। প্রতি ৭ দিনে ১ বার করুন দেখবেন চুল ঘন হওয়ার সাথে সাথে আসবে বাউন্স।


অ্যালোভেরা :
অ্যালোভেরার জেল বের করে ৪ চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে সরাসরি চুলে এবং মাথার তালুতে লাগিয়ে ফেলুন। চুল ঘন করার সাথে সাথে এটি আপনার চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করবে।


মধু :
ব্যবহারের ক্ষেত্রে মধু খুবই আঠালো, সে জন্য খুব অল্প পরিমাণে (৪-৫ চামচ এর বেশি না) মধু নিয়ে তা মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। তারপর চুল আটকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। খেয়াল রাখুন যেন প্রতিটি চুলের গোড়ায় একটু হলেও মধু পৌঁছায়। সবশেষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


পেঁয়াজ :
আপনার হেয়ার ফলিকল এর কোনও অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিয়মিত পেঁয়াজ ব্যবহারে তা সারিয়ে তোলে। যাদের চুল পাতলা তারা সপ্তাহে ২-৩ দিন ১০-১২ মিনিটের জন্য মাথার তালুতে পেঁয়াজ ঘষে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই উপকার পাবেন।


মেহেদি :
মেহেদি লাগিয়ে সাথে সাথে চুল ধুয়ে ফেলবেন না। কমপক্ষে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এতে মেহেদির রং চুলে ভালভাবে বসবে। তাই হাতে সময় নিয়ে চুলে মেহেদি লাগান। অনেকেই বলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে থাকে। হ্যাঁ, আপনার মাথার তালু রুক্ষ হলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে। তাই মেহেদির প্যাকের সাথে তেল, টকদই ব্যবহার করুন। কিংবা মেহেদি লাগিয়ে শ্যাম্পু করে মাথায় তেল লাগান। পানি ও পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

ভাত না রুটি? কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর?

অনলাইন ডেস্ক :


কেউ কেউ ভাত খেতে এত ভালোবাসেন যে পারলে তিন বেলাই খান, কিন্তু ভয়ে রুটি খান। অনেকে আবার ভাত খেতে একেবারেই ভালোবাসেন না বলে রুটিকেই প্রধান খাবার হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু সেটাও কি ঠিক? কোনটা বেশি উপকারী? জেনে নিন ভাত ও রুটির মধ্যে পুষ্টি উপাদানগত পার্থক্য।
পুষ্টি ভাত (৩০ গ্রাম) রুটি (৩০ গ্রাম আটার)
কার্বোহাইড্রেট ২৩ গ্রাম ২২ গ্রাম
প্রোটিন ২ গ্রাম ৩ গ্রাম
ফ্যাট ০.১ গ্রাম ০.৫ গ্রাম
ফাইবার ০.১ গ্রাম ০.৭ গ্রাম
আয়রন ০.২ মিলিগ্রাম ১.৫ মিলিগ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩ মিলিগ্রাম ১২ মিলিগ্রাম
এনার্জি ১০০ ক্যালোরি ১০০ ক্যালোরি


ভাত এবং রুটি দু’টিতেই আছে প্রচুর ফলেট যা নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে এবং রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে। শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঠেকাতেও কার্যকর। সেই কারণে গর্ভবতী মায়েদের রুটির থেকে ভাত বেশি খাওয়া ভালো। রুটি ও ভাতে আয়রনের পরিমাণ সমান হলেও ফরফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামের পরিমাণ রুটির তুলনায় ভাতে কম।
সব মিলিয়ে ভাত, রুটি— দু’টিতেই রয়েছে উপকার। আর চিকিৎসকরা মনে করেন, ভাত ও রুটি মিশিয়েই খাওয়া উচিত। দু’টি খাবারই শরীরের কোনো না কোনো প্রয়োজন পূরণ করে।

Thursday, June 23, 2016

যে ৯ খাবার খাওয়া উচিত, কিন্তু আপনি খান না

অনলাইন ডেস্ক :

আমাদের সর্বদা বেশি করে শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া উচিত। মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার কম করে খাওয়া উচিত। এ ধরনের কিছু খাবারের তালিকা দেওয়া হলো এ লেখায়। আমরা বেশি করে এসব খাবার খাওয়া শুরু করলে স্বাস্থ্যসচেতনতা যেমন বাড়বে তেমন অন্যান্য খাবারের ওপর চাপও কমবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. কলার খোসা
কলা স্বাস্থের জন্য ভালো। তবে শুধু কলার ভেতরের অংশই নয়, কলার খোসাও ভালো। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। আর তাই আমাদের সর্বদা কলার খোসা খাওয়া উচিত।

২. ঝিঁঝিঁ পোকা
গবেষকরা বলছেন, ঝিঁঝিঁ পোকা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ। তাই ঝিঁঝিঁ পোকা খেয়েই আমাদের পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান ঝিঁঝিঁ পোকা থেকে মজাদার খাবার বাজারজাত করার উদ্যোগ নিয়েছে। জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন সম্প্রতি জানিয়েছে, পোকামাকড় থেকে তৈরি খাবার বিশ্বের ক্ষুধা কমাতে পারে। এক্ষেত্রে পোকামাকড় পালন করা খুব সহজ এবং তাদের খাবারও খুব কম প্রয়োজন হয়।

৩. কাঁঠাল
কাঁঠাল অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। কাঁচা থাকতে এ ফল রান্না করে খাওয়া যায়। তবে পাকলে এ ফলের কোয়াগুলোই শুধু খাওয়া যায় না এর বীজগুলোও রান্না করে খাওয়া যায়। এটি নানা ফলমূলের সঙ্গে মিশিয়ে উপাদেয় করে খাওয়া যায়। তাই আমাদের সর্বদা কাঁঠাল খাওয়া উচিত।
৪. ওলকপি
ওলকপি একটি আঁশসমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার। এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি, বি৬ ও পটাসিয়াম রয়েছে। তাই মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এর তথ্যমতে এটি নিয়মিত খাওয়া উচিত। একে পাওয়ারহাউজ ফুডস হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে তাদের তালিকায়। গবেষকরা বলছেন, এটি ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।
৫. চিকোরি
আপনার সালাদে পাতা কপির বদলে যোগ করতে পারেন চিকোরি। এটি মূলত ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একটি সবজি। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ।
৬. ব্রেডফ্রুট
আরেকটি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হলো ব্রেডফ্রুট। এটি উষ্ণ, রৌদ্রজ্জ্বল ও আর্দ্র আবহাওয়ায় জন্মে। ফুটবল আকারের এ ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এর গাছ কোনো পরিচর্যা ছাড়াই বড় হয় তিন থেকে পাঁচ বছরে।
৭. ব্রোকলি পানি
ফুলকপি ধরনের সবজি ব্রোকলি। শুধু এটি যে পুষ্টিকর তা নয়, এর সেদ্ধ পানিও পুষ্টিকর। এর পরের বার আপনি যখন এটি সেদ্ধ করবেন তখন পানিটি কোনোমতেই ফেলে দেবেন না। কারণ এ পানি সুপ, সস কিংবা ঝোল হিসেবে তরকারিতে ব্যবহার করা যায়।
৮. লায়নফিস
সাগরের একটি মাছের নাম লায়নফিস। মূলত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এর দেখা পাওয়া যায়। এছাড়া ক্যারিবিয়ান, আটলান্টিক ও গালফ অব মেক্সিকোতে এটি প্রচুর পাওয়অ যায়। বহু মানুষই এ মাছকে অ্যাকুরিয়ামে রাখতে পছন্দ করেন। তবে এ মাছটি খাদ্য হিসেবেও অত্যন্ত ভালো।
৯. পানির শাক
আপনার বাড়ির আশপাশের জলাভূমিতেই জন্মায় নানা ধরনের শাক। এসব শাকে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। সালাদে এসব শাক ব্যবহার করা যায়। আবার রান্না করেও খাওয়া যায়। নানা ধরনের শাকসবজি খেলে টাইপ-টু ডায়াবেটিস যেমন নিয়ন্ত্রণ করা যায় তেমন তা পুষ্টির চাহিদাও মেটায়। তাই সর্বদা আমাদের নানা ধরনের শাকসবজি খাওয়া উচিত।

যে প্যাক ব্যবহারে দ্রুত চুল গজাবে

অনলাইন ডেস্ক :


আপনার চুলের বৃদ্ধি নিয়ে কি আপনি চিন্তিত? আপনার কি মনে হচ্ছে যে হারে চুল পড়ছে সে হারে চুল উঠছে না? এসব চিন্তা হওয়াই স্বাভাবিক। সবাই চাই তার সুন্দর লম্বা চুল দেখে অন্যরা গল্প করুক, প্রশংসা করুক।


তবে বর্তমান পরিবেশে ধুলোবালুর পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং আমাদের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ফলে চুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।


কিন্তু প্রতিদিনের এত কাজ ও ব্যস্ততার মাঝে আপনার সময় কোথায় চুলের বাড়তি যত্ন নেওয়ার? তাই জীবনধারাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এমন একটি প্যাকের খবর, যা দ্রুত চুল গজানোতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেই কী কী উপাদান দিয়ে ও কীভাবে ব্যবহার করবেন চুলের এই প্যাকটি।


যা যা লাগবে


ডিমের কুসুম দুই টেবিল চামচ ও অলিভ অয়েল এক টেবিল চামচ। ডিম ও অলিভ অয়েলের এই মিশ্রণটি চুলে অতিরিক্ত পুষ্টি জুগিয়ে দ্রুত চুল গজাতে সাহায্য করে। তা ছাড়া অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই আছে যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অন্যদিক ডিমের কুসুমে আছে উচ্চমানের প্রোটিন আর প্রোটিন হলো স্বাস্থ্যকর চুল বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকরী উপাদান। তাই এই প্যাকটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।


যেভাবে ব্যবহার করবেন


ডিমের কুসুম ও অলিভ অয়েল একটি পাত্রে নিয়ে ভালোভাবে মেশান। চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত প্যাকটি ধীরে ধীরে লাগান। কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা শ্যাম্পু করে কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৩০ বছরের পর কীভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন?

অনলাইন ডেস্ক :


অনেকেই বলেন বয়সের চিন্তা না করে জীবনকে উপভোগ করো, মনে তারুণ্য ধরে রাখতে পারলে বয়স কোনো ব্যাপার না। হ্যাঁ, মনের উৎফুল্লতা ও তারুণ্য আপনাকে কখনই মানসিকভাবে বুড়ো হতে দিবে না। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে থাকে। ত্বক কুচকে যাওয়া, বলিরেখা পড়া, মেছতাসহ আরও নানান ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ৩০-এর পর থেকেই আপনাকে নিতে হবে ত্বকের বিশেষ যত্ন।


বয়সের ছাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু বিউটি টিপস মেনে চলতে পারেন। ৩০-এর পর ত্বকের যত্নে বিশেষ কী নিয়ম মেনে চলতে হবে এই সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে। চলুন, এক নজরে দেখে আসি।


প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা


ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। রুপ বিশেষজ্ঞদের মতে ৩০ বছর হয়ে গেলে নারীদের ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করতে অতিরিক্ত তরলের চাহিদা তৈরি হয়। তাই পানি সেই চাহিদা পূরণ করে ত্বককে সুস্থ রাখে।


ঘরোয়া ফেস মাস্ক ব্যবহার


ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে এমন কিছু ঘরোয়া ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার এই মাস্ক লাগাতে চেষ্টা করুন।


নিয়মিত স্ক্রাব ব্যবহার


মৃত কোষ সরিয়ে নিতে নিয়মিত প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে স্কাবিং করে নিতে পারেন। চিনি, লেবু বা মধু দিয়ে সেরে নিতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে স্ক্রাবিং। সাথে রাখুন স্ক্রাব প্যাড।


স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন


স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম আপনার সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে। আর নারী-পুরুষ সবার ৩০-এর পর ব্যয়াম করা খুবই জরুরি।


সানস্ক্রিন ব্যবহার করা


কখনোই সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে বের হবেন না। সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই রশ্মি ত্বককে কালচে ও রুক্ষ করে দেয়। আর এই রশ্মির কারণে সহজেই ত্বকে বলিরেখা পরে।


নাইট ক্রিম লাগান


রাতে ঘুমানোর আগে ভালো মানের নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে সারারাত আপনার ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকবে। প্রাকৃতিক উপাদান আছে এমন ক্রিম বেছে নিন।

মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশ্চর্য তিন কারণ

অনলাইন ডেস্ক :


মুখে দুর্গন্ধ বেশ অস্বস্তিকর সমস্যা। পানি ঠিকমতো পান না করা, মুখ পরিষ্কার না করা ইত্যাদি মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ। তবে কিছু অবাক করা কারণ রয়েছে, যেগুলো মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে।


জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে এগুলোর কথা।


১. সকালের খাবার বাদ দেওয়া


গবেষণায় বলা হয়, সকালের নাশতা বাদ দিলে লালা গ্রন্থি বেশি লালা উৎপন্ন করে না। এতে মুখে শুষ্কতা হয়। যখন মুখ শুষ্ক হয়ে যায়, তখন এমনিতেই মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই মুখের দুর্গন্ধ রোধে সকালের নাশতা অবশ্যই করবেন।


২. ফ্লসিং না করা


অধিকাংশ সময় আমরা মুখ পরিষ্কারে ব্রাশ করি। তবে দাঁত ফ্লস করি কয়জন? দাঁতের ফাঁকে খাদ্যকণা জমে থাকে। এটি সাধারণত ব্রাশ করলেই যায় না। এগুলো থেকে মুখে বাজে গন্ধ হতে পারে। তাই নিয়মিত ফ্লসিং করুন।


৩. বেশি প্রোটিন খাওয়া


ভারী খাবারে সাধারণত প্রোটিন বেশি থাকে। প্রোটিন বেশি খাওয়া মুখে দুর্গন্ধের আরেকটি কারণ। প্রোটিন কম খেলে এ সমস্যা থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যায়।

ওজন কমাবে তিন ফল!

অনলাইন ডেস্ক :


ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতেই হয়। কিছু ফল রয়েছে, যেগুলো ওজন কমাতে আসলেই কাজ করে। ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত এই ফলগুলো খেতে পারেন।


জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।


আপেল


প্রতিদিন একটি আপেল খেলে ওজন কমে। এর মধ্যে থাকা পানি ও আঁশ ওজন কমাতে বেশ আদর্শ ফল। কেবল ওজন কমানোর জন্যই নয়, স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও প্রতিদিন খেতে পারেন এই ফল।


তরমুজ


ওজন কমানোর পাশাপাশি এই রসালো গ্রীষ্মকালীন ফলটি শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং ক্ষুধা কমাতে কাজ করে। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়। পাশাপাশি চর্বিও ঝরে।


পেয়ারা


বিপাক ক্ষমতা বাড়াতে এই ফল অনেক সহায়ক। এ জন্য এটি ওজন কমাতে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও ভিটামিন। ওজন কমাতে চাইলে এই ফল আপনার খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন।

Tuesday, June 21, 2016

লিভার ক্ষতির চার লক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক:


শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার। এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। হেপাটাইটিস বি, সি, মদ্যপান, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার ইত্যাদি লিভারের জটিল রোগ। প্রাথমিক কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখলে বোঝা যায় লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।


লক্ষণ ১


অনেকেই প্রস্রাব ও পায়খানার প্রবাহ ও রং নিয়মিত লক্ষ করেন না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত প্রস্রাব ও পায়খানার রং ও অবস্থা লক্ষ করা প্রয়োজন। কেননা এর পরিবর্তন বিভিন্ন লক্ষণের প্রকাশ করে।


যদি প্রস্রাবের রং গাঢ় ও ফেনাযুক্ত হয় এবং পায়খানা কিছুটা পাতলা ও ম্লান রঙের হয়, তাহলে লিভারে কোনো সমস্যা আছে কি না পরীক্ষা করুন। এগুলো লিভারের সমস্যার লক্ষণ।


লক্ষণ ২


অনেক অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এসিড রিফ্লাক্সের ঘটনা ঘটে। তবে প্রায়ই যদি এসিড রিফ্লাক্সের ঘটনা ঘটে, তাহলে চিন্তিত হওয়ার কারণ আছে। পাশাপাশি যদি বমি বমি ভাব বা বমি হয়, তবে এটি লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ।


লক্ষণ ৩


যদি অ্যালার্জি ও ত্বকের কোনো সমস্যা ছাড়াই প্রায়ই শরীরে চুলকানি হয়, এটি লিভারের সমস্যার লক্ষণ। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ত্বক সুন্দর রাখবে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক:


সুন্দর ত্বক কার না ভালো লাগে? ত্বক ভালো রাখতে খাবারের একটি ভূমিকা রয়েছে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে কিছু খাবারের কথা, যেগুলো ত্বক সুন্দর রাখে।


পালংশাক


পালংশাকের মধ্যে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্স। এটি সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এর মধ্যে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন ও লুটেইন। এটি ত্বকের নমনীয়তা রক্ষা করতে কাজ করে। পালংশাকের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান। এটি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে টিস্যুকে ভালো রাখে। ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করতে কাজ করে।


ওয়ালনাট


ওয়ালনাটের মধ্যে রয়েছে ভিটামিস বি। ভিটামিন বি রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। ওয়ালনাট ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। এগুলো অকালবার্ধক্য থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে। এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি ত্বককে সুরক্ষা দেয়।


আম


আম অকালবার্ধক্য রোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। এটি ত্বককে বুড়ো হওয়া ধীর করে। আম বলিরেখা দূর করে ত্বককে নরম রাখতে সাহায্য করে।


কাঠবাদামের দুধ


কাঠবাদামের দুধের মধ্যে রয়েছে কপার ও ম্যাঙ্গানিজ। এগুলো ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বককে ভালো রাখে।


আপেল


আপেল ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস। এটি ত্বকের বলিরেখা কমায়। এর মধ্যে রয়েছে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন, যা ত্বক ভালো রাখে।

আপনি কি নখ কামড়ান?

অনলাইন ডেস্ক:


আপনি কি নখ কামড়ান? অনেকের মধ্যে নখ কামড়ানোর বদ অভ্যাস রয়েছে।গবেষণায় বলা হয়, নখ কামড়ানোর অভ্যাস ছোটবেলা থেকে শুরু হয়। আর চলতে থাকে বড় হওয়া পর্যন্ত।


সাধারণত পড়ালেখা, কথা বলা, টিভি দেখা এ রকম বিভিন্ন কাজ করার সময় লোকে নখ কামড়াতে থাকে।কখনো কখনো বিরক্তি বা মানসিক চাপের জন্যও লোকে নখ কামড়ায়।এ ছাড়া নখ কামড়ানো কখনো কখনো শুচিবাইগ্রস্ততা অথবা বিষণ্ণতার লক্ষণ হতে পারে।


এই বদ অভ্যাসের কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে।এটি সাধারণ থেকে জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে শরীরে। স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে নখ কামাড়ানোর ক্ষতিকর দিকের কথা এবং এটি থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।


নখ কামড়ালে যেসব ক্ষতি হয়


মুখের ভেতর নখের জীবাণু প্রবেশ করে।
নখের সংক্রমণ হয়।
পাকস্থলীর অসুখ হয়।
দাঁতের অসুখ হয়।
নখের ক্ষতি হয়।
কীভাবে রোধ করবেন নখ কামড়ানো


নখ নিয়মিত কাটুন ও ছোট রাখুন।
তেঁতো স্বাদের নেইল পলিশ নখে মেখে রাখুন।
তেঁতো স্বাদের কোনো খাবারের রস নখে মেখে রাখতে পারেন।
হাতকে সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত রাখুন যেন কামাড়ানোর সময়ই না পান।
নখ ভালো থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর থাকার ৭ পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক:


গর্ভাবস্থা নারীর জীবনে নতুন মাত্রা দেয়। গর্ভাবস্থায় নারীর শরীর ও মনে পরিবর্তন ঘটে। এই সময়ে মায়ের শরীরের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। পাশাপাশি পরিবারের লোকজনের সাহায্যও খুব দরকার। এই সময় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা। চিকিৎসক সবচেয়ে ভালো পরামর্শ দেবেন- এই সময়ে কীভাবে চলতে হবে এবং কী ওষুধ খেতে হবে- এসব বিষয়ে।


মূলত ঝুঁকিমুক্ত গর্ভাবস্থার জন্য কিছু বিষয় মেনে চলতে হয়। এতে মা ও শিশু উভয়েই ভালো থাকতে পারে। আর সেজন্য গর্ভাবস্থায় বিষয়গুলো সম্বন্ধে সচেতন থাকা চাই। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে এই বিষয়ে কিছু পরামর্শ।




  • গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া খুব জরুরি। তাই এই সময়টায় স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ধ্যান করুন, পছন্দের কাজ করুন।

  • পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিন, ঘুমান।

  • চিকিৎসকের পরামর্শমতো নিয়মিত ওষুধ খান।

  • এ সময় নারীদের ধূমপান ত্যাগ করতে হবে পুরোপুরিভাবে। ধূমপান ভ্রূণের ক্ষতি করে।

  • মদ্যপানও করা যাবে না এই সময়।

  • এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করবেন না। এসব জিনিস প্রাথমিকভাবে মেনে চললে গর্ভাবস্থায় নারীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

মাত্র এক মাসেই উজ্জ্বল ত্বক!

অনলাইন ডেস্ক:


ত্বকের রং উজ্জ্বল ও ফর্সা করার প্রচেষ্টায় যা-ই করেন না কেন, আপনাকে মাথায় রাখতে হবে ত্বকের সুস্থতার কথা। তাই ত্বকে সব সময় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করুন। এক মাসে ত্বক ফর্সা করতে কার্যকর এমন একটি প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারাবিষয়ক বিভাগে।


যা যা লাগবে


চালের গুঁড়া এক টেবিল চামচ, টমেটোর রস দুই টেবিল চামচ ও দুধ এক টেবিল চামচ।


যেভাবে ব্যবহার করবেন


# একটি পাত্রে সব উপাদান পরিমাণমতো নিয়ে মেশান।


# ভালো করে নাড়িয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন।


# পেস্টটি মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন।


# তারপর ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।


# এর পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে হালকা ফেসওয়াস ব্যবহার করুন।

Monday, June 20, 2016

যে ৬টি অভ্যাস আপনার চোখের ক্ষতি করছে

অনলাইন ডেস্ক :


১) রোদে রোদচশমা না পড়া হল প্রথম বদ অভ্যাস। সানগ্লাস শুধু ফ্যাশন নয়, সানগ্লাস না পড়লে চড়া রোদের আলট্রাভায়োলেট রশ্মিতে চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।



২) চোখ লাল হলেই ড্রপ দেন? এই ড্রপগুলি আসলে চোখের শিরাগুলিকে কিছুক্ষণের জন্য বড় প্রসারিত করে কিন্তু ড্রপের প্রভাব শেষ হয়ে গেলেই আবার শিরাগুলি পুরনো রূপে ফিরে আসে এবং চোখ আগের তুলনায় অনেক বেশি লাল হয়ে যায়।



৩) ড্রাই আইয়ের কারণে অনেকেই চোখে লুব্রিকেটিং আই ড্রপ দেন। কিন্তু বেশিরভাগ ড্রপগুলিতে প্রিজারভেটিভ থাকে।



৪) চোখের পাতা পড়া হল একটি স্বাভাবিক প্রবৃত্তি যা আসলে চোখকে তার জলীয় ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটানা অনেকক্ষণ টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পাতা পড়া কমে যায় আর এই কারণেও ড্রাই আইয়ের সমস্যা তৈরি হয়।



৫) যাঁদের কনট্যাক্ট লেন্স রয়েছে তাঁরা যদি ঠিকমতো লেন্স পরিষ্কার না করেন বা ঘুমোনোর সময়ে লেন্স খুলে না রাখেন তবে চোখের ক্ষতি হয়।



৬) সাঁতার কাটার সময়ে সুইমিং গগলস পরা বাঞ্ছনীয়। না পরলে তা চোখের পক্ষে ক্ষতিকারক।

যে ৯টি জিনিস মুখের ত্বকের বারোটা বাজাতে পারে

অনলাইন ডেস্ক :


১) রোজ ডিওডরন্ট স্প্রে করার সময়ে সেটা কি মুখে লেগে যায়? তবে সাবধান। কখনওই যেন এ জিনিস মুখে না লাগে।
২) বেকিং সোডা দিয়ে কোনও স্ক্রাব মুখের ত্বকে ব্যবহার করবে না। এই পদার্থটি মুখের ময়শ্চার শুষে নেয়।
৩) মাথায় শ্যাম্পু লাগিয়ে ফেনা করে সেই দিয়েই যদি মুখ ধোয়ার অভ্যাস থাকে তবে পালটে ফেলুন। শ্যাম্পুতে যে কেমিক্যাল থাকে তা মুখের ত্বকের উপযোগী নয়। ত্বক খসখসে হয়ে যায়।
৪) হেয়ার কালার করার সময়ে খুব সতর্ক থাকবেন। এই রং মুখে লাগলে, সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলবেন ময়শ্চাইরাজারে ভেজানো তুলো দিয়ে। যদি ভুরু রং করতে হয় তবে তা ভেজিটেবিল ডাই দিয়ে করতে হবে, সাধারণ ডাই বা হেয়ার কালার দিয়ে নয়।
৫) বডি লোশন শুধু ‘বডি’তেই মাখার জন্য, মুখের জন্য নয়। মুখের ত্বক শরীরের অন্যান্য ত্বকের তুলনায় অনেক বেশি সেনসিটিভ হয়। তাই মুখে শুধুই মুখের জন্য নির্দিষ্ট প্রোডাক্টই ব্যবহার করবেন।
৬) মেয়োনিজ হেয়ার প্যাকে ব্যবহার করা যায় কিন্তু মুখের জন্য কখনওই নয়। হেয়ার প্যাক লাগাতে গিয়ে যদি মুখে লেগেও যায় তবে সাবধানে মুছে নেবেন।
৭) হেয়ারস্টাইল সেট করতে অনেকেই ল্যাকার বা হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করেন। অনেকে আবার এই স্প্রেগুলি মেক-আপের উপরে ব্যবহার করেন মেক-আপ স্টে করানোর জন্য। এই অভ্যাসটি মুখের ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত খারাপ।
৮) নেল-পলিশ নখে পরার জন্য, এগুলি দিয়ে কপালে বা মুখে কোনও রকম পেইন্ট ঘুণাক্ষরেও করবেন না। ত্বক শুকনো এবং খসখসে হয় যায়।
৯) হেয়ার সেরাম চুলে লাগাবেন কিন্তু মুখে যেন কখনওই না লেগে যায় কারণ এতে যে কেমিক্যাল থাকে তা থেকে ত্বকে র‌্যাশ বা চুলকানি হতে পারে।

Sunday, June 19, 2016

কাঁঠালের জাদুকরী গুণ

অনলাইন ডেস্ক


সময়টা কাঁঠালের। রসালো, সুস্বাদু এই ফলের ঘ্রাণ চারদিকে। কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। নানা গুণের কারণে সারাদেশের মানুষের কাছে সমাদৃত এই ফল। শুধু পাকা কাঁঠালই নয়, কাঁচা কাঁঠাল ও এর বিচিরও রয়েছে গ্রহণযোগ্যতা। কাঁচা কাঁঠাল রান্না করে খাওয়া হয়, কাঁঠালের বিচি রান্না করা ছাড়াও এটা দিয়ে তৈরি করা হয় ভর্তা, হালুয়া, বরফি। ভারত, থাইল্যান্ডে এবং ভিয়েতনামেও এই ফল পাওয়া যায়। জেনে নিন কাঁঠালের গুণাগুণ:


- কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি'। তাই এটি হাই গ্রেড অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ইমিউনিটি বাড়ায়।


- কাঁঠালকে বলা হয় পাওয়ার হাউজ অব এনার্জি। এতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালোরি থাকলেও স্যাচুরেটেড ফ্যাট তেমন একটা নেই।


- কাঁঠালে উপস্থিত আঁশ হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।


- কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন 'এ' যা চোখকে বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।


- কাঁঠালে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টি এবং হাই ওয়াটার কনটেন্ট ত্বককে সতেজ রাখে।


- কাঁঠাল খেলে শরীরে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে এবং ক্যালিসিয়াম ক্ষরণ কম হয়। এছাড়াও এতে উপস্থিত পটাশিয়াম হাড় মজবুত করে |


- রক্তশূন্যতায় কাঁঠাল বেশ উপকারী। কাঁঠাল শরীরে আয়রন তৈরিতে সাহায্য করে।


- কাঁঠালে থাকা ভিটামিন 'বি' হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই গর্ভবতী নারী বা প্রসূতিরা কাঁঠাল খেলে উপকার পাবেন।

Friday, June 17, 2016

ঘুমের মধ্যে পায়ের পেশিতে টান? জেনে নিন উপায়

অনলাইন ডেস্ক :


রাত-বিরা্তে পায়ের পেশিতে টান ধরছে? অসহ্য যন্ত্রণা? কিছুতেই কোনো টোটকায় কাজ হচ্ছে না? অথচ, সামান্য কিছু যোগব্যায়ামের মাধ্যমেই নিমেষে কমানো যায় মাসল ক্র্যাম্প। কীভাবে? আসুন জেনে নিই-


রাতে হঠাত্‍ পায়ে মাসল ক্র্যাম্প। এমন ব্যাথা যে নড়াচড়াও বন্ধ হয়ে যায়। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলা হয় নকচার্নাল লেগ ক্র্যাম্পস। সাধারণত পায়ের গোছে এই টান ধরে
তার জেরে পায়ের পাতাতেও শুরু হয় প্রচণ্ড যন্ত্রণা।


পায়ে খিঁচ ধরার কারণ অনেকক্ষণ একজায়গায় বসে থাকা। পায়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়া। কংক্রিটের মেঝেতে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ কাজ করলে বসার ক্ষেত্রে গণ্ডগোল হলে এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়।


কী বলছেন চিকিৎসকরা?


গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত মাদকাসক্তি, ডিহাইড্রেশন, ডায়াবেটিস থাকলেও পায়ে টান ধরে।


পেশিতে টান দূর করবেন কীভাবে?


১) পা সোজা করে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে আস্তে আস্তে টানুন


২) উরুর পিছনের পেশিতে টান ধরলে চিত্‍ হয়ে শুয়ে পা ভাঁজ করে হাঁটু বুকের দিকে নিয়ে আসুন যতটা পারা যায়। এরপর উরুর পেছনের পেশিতে আলতো হাতে মালিশ করুন


৩) হট ব্যাগ ব্যবহার করুন


৪) পেশি বেশি ফুলে গেলে আইসব্যাগ দিয়ে ঠান্ডা সেঁক দিন


৫) মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল ব্যবহার করুন


৬) পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার খান


৭) শাক-সবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে।


সূত্র: জিনিউজ

প্রস্টেটের সমস্যা থেকে এবার মুক্তি দেবে বাদাম!

অনলাইন ডেস্ক :


শুধু ভারতেই নয়, গোটা বিশ্বে এখন পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে প্রস্টেটের সমস্যা। এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর মৃত্যু হয় বহু মানুষের। অথচ, এই রোগের বিরুদ্ধে এখনো সেভাবে চিকিত্‍সা বিজ্ঞান নিজেদের প্রসার করতে পারেনি। তবে, সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এই রোগ প্রতিরোধের একটি নতুন উপায়।


কী সেই উপায়?


আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গত একবছরে প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত কয়েকজন রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালানো হয়। সেখানে তাঁদের সপ্তাহে পাঁচ থেকে ছয় দিন করে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেতে দেওয়া হতো। সঙ্গে থাকত সাধারণ খাবারও। বছর ঘুরতেই দেখা যায়, ওই রোগীদের সমস্যা অনেকটাই কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে তাঁদের মৃত্যুর সম্ভবনাও।


এই গবেষণার সঙ্গে থাকা চিকিত্‍সকদের দাবি প্রস্টেটের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাঁদের প্রত্যেকদিন প্রায় আধা কাপ করে বাদাম খাওয়া উচিত। বিশেষ করে চিনেবাদাম, কাঠবাদাম, কাজু ও পিস্তা এই রোগ উপসমে বিশেষভাবে কার্যকর বলে তাঁরা জানিয়েছেন।


সূত্র: জিনিউজ

চিরতাজা থাকতে রোজ নিজের জন্য মাত্র ৪৫ মিনিট!

অনলাইন ডেস্ক :

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে আপনার কি বড্ড কষ্ট হয়? বেশ বেলা পর্যন্ত বিছানায় গড়াতে বেশ ভালো লাগে? তাহলে আর দেরি করবেন না। শিগগিরই অভ্যাস বদলান। না হলে বেশ কিছু অসুখ-বিসুখের আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে দেরি নেই। তার মধ্যে প্রথম স্থানেই রয়েছে ডায়াবিটিস।


চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন যে রোজ সকালে ৪৫ মিনিট হাঁটলেই ডায়াবিটিসের আশঙ্কা অনেকটাই দূরে সরিয়ে রাখা যাবে। অল্পবয়স থেকেই যাদের নিয়মিত মর্নিংওয়াকের অভ্যেস রয়েছে, তাঁদের ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম। এমনকি যাঁরা ইতিমধ্যেই ডায়াবিটিসের কবলে পড়েছেন, তাঁরাও রোজ সকালে মাত্র ৪৫ মিনিট ব্রিস্ক ওয়াক করলে রক্তের সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক স্তরে নেমে আসতে পারে।


শুধু তাই নয়, মর্নিং ওয়াক আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শুয়ে-বসে দিন কাটালে যে সমস্ত লাইফ স্টাইল অসুখে আমরা আক্রান্ত হতে পারি, তার থেকেও মুক্তি দেয় মর্নিং ওয়াক। ওজন কমাতে চাইলেও মর্নিং ওয়াকের বিকল্প খুঁজে পাওয়া ভার। নানারকম সুস্বাদু খাবারের প্রলোভন এড়িয়ে ডায়েটিং করা আমাদের অনেকের পক্ষেই দুঃসাধ্য। তার চেয়ে রোজ সকালে নিয়ম করে ৪৫ মিনিট মাঝারি গতিতে হাঁটুন। দেখবেন ম্যাজিকে মতো কাজ হবে। সকালে হাঁটলে আমাদের শরীরে বেশি মাত্রায় অক্সিজেন প্রবেশ করে। ফলে হার্টের সমস্যার সম্ভাবনাও অনেকটাই কমে যায়।


সূত্র: এই সময়

Thursday, June 16, 2016

নবজাতকের গোসল নিয়ে চিন্তিত?

অনলাইন ডেস্ক :


অনেকে জন্মের পরই বাচ্চাকে গোসল করাতে চান। আবার অনেকে মনে করেন, চুল কাটার পর কিংবা নাভি পড়ার পর গোসল করানো ভালো। তবে নিয়ম হলো সুস্থ, স্বাভাবিক বাচ্চাদের জন্মের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর গোসল করানো যাবে। এর আগে গোসল করানো উচিত নয়।


শিশুকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শীতকালে ঘন ঘন গোসল না করালেও চলে। এ সময় মলত্যাগ ও প্রস্রাবের পর শিশুকে ভালোভাবে পরিষ্কার রাখা চাই।


গোসলের আগে যিনি গোসল করাবেন, তাঁর হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। গোসলের জন্য আগে থেকেই বাথটাবে বা একটি বোলে হালকা গরম পানি তৈরি রাখুন। আরেকবার দেখে নিন পানি যেন বেশি গরম না থাকে। গোসলের আগে শিশুর কাপড়চোপড় খুলে, মলমূত্র থাকলে তা পরিষ্কার করে তার পর শিশুকে বাথটাবে নামাতে হবে। গোসলের পানিতে সামান্য ডেটল বা স্যাভলন দিতে পারেন। নাভি যাতে না ভেজে, এ বিষয়টি মাথায় রাখুন।


মনে রাখবেন, বাচ্চাকে প্রথমবার পানির সংস্পর্শে আনছেন, তাই সে কিছুটা অসুবিধা বোধ করতেই পারে। অনেক নবজাতকই এ সময় কেঁদে ওঠে। বাচ্চাকে তাই ধীরে ধীরে পানির সংস্পর্শে আনুন। কিছুক্ষণ পরেই বাচ্চা পানির সঙ্গে মানিয়ে নেবে। তবে বেশি কান্না করলে পানি থেকে উঠিয়ে নিন। শিশুর জন্য বিশেষভাবে তৈরি কম ক্ষারযুক্ত সাবান, শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সাবান কেনার সময় তার পিএইচ লেভেল দেখে নিন। এই লেভেল সাতের নিচে থাকলেই ভালো।


অনেককেই দেখা যায়, গোসলের আগে বাচ্চার শরীরে মাখার জন্য হন্যে হয়ে খাঁটি শর্ষের তেল খুঁজছেন। মূলত গোসলের আগে, শিশুর গায়ে তেল মাখলে ক্ষতি যেমন নেই, তেমনি তেল মাখলে শিশুর শরীর সবল থাকবে বা হাড্ডি শক্ত হবে বলে যে মনে করা হয়, তা-ও সত্য নয়। আর শিশুর শরীরে গরমে তেল মাখানো ঠিক নয়।


গোসলের সময় শিশুর কান, বগল, রানের ফাঁক, কানের পেছনটা কোমল কাপড় দিয়ে আলতো করে ঘষে দিতে হবে। প্রথম কয়েক দিন মাথাতে পানি না দিয়ে নরম কাপড় দিয়ে মুছে দিতে পারেন। পায়খানা-প্রস্রাবের রাস্তা খুব ভালো করে ধুতে হবে। তবে সব সময় খেয়াল রাখবেন, নাকে-কানে যেন পানি না ঢোকে। চার-পাঁচ মিনিটে গোসলের পর্ব শেষ করে সঙ্গে সঙ্গে শরীরটা মুছে কাপড় পরিয়ে দেবেন।


টাওয়াল বা পোশাক আগে থেকে বাথটাবের পাশে রাখবেন। গোসল করানোর পর এসব খুঁজতে যাবেন না। তাহলে বাচ্চার ঠান্ডা লেগে যাবে। সে সঙ্গে শিশুর পরিধেয় বস্ত্রও আগে থেকে তৈরি রাখতে হবে। গোসল করানো শেষে বাচ্চাকে বাথটাব থেকে উঠিয়ে নেওয়ার সময় খুব সাবধান থাকতে হবে। এ সময় আপনার হাতে সাবান বা শ্যাম্পু লেগে থাকলে হাত পিছলে বাচ্চা পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।


আসলে গোসল করানোর পুরো প্রক্রিয়াটাতেই নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। তাই অনেকে মিলে হৈচৈ না করে, যেকোনো একজন গোসল করানোর দায়িত্ব পালন করুন।

পায়ের শিরায় টান লাগে কেন?

অনলাইন ডেস্ক :

পায়ে শিরাটান খুব যন্ত্রণাদায়ক। বিশেষত রাতের বেলা এই সমস্যা হয়। এই শিরাটান কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। যে কোনো বয়সে এটি হতে পারে। তবে মধ্য ও প্রবীণ বয়সী লোকদের এই সমস্যা বেশি হয়। অনেক সময় এটি প্রায়ই বয়ঃসন্ধিকালে হয় এবং রাতে ব্যায়াম করলে হয়। এই শিরাটানের পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে কারণের কথা।

১. পানিশূন্যতা

শরীর ও মনের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে আর্দ্র থাকা জরুরি। এটি পেশির কার্যক্রমের ওপর প্রভাব ফেলে। পানি পেশির টিস্যুকে শিথিল করতে কাজ করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করলে এই সমস্যা হতে পারে।

২. অপুষ্টি

শরীরে যেকোনো ধরনের পুষ্টির অভাব হলে এই সমস্যা হতে পারে। মিনারেল পেশিকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। পুষ্টির ঘাটতি পূরণে তাই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি।

৩. অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থাকলে

উঁচু হিল বা আঁটসাট জুতা পরে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের শিরাটানের সমস্যা হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার কাজ করলে এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হয়।

৪. গর্ভাবস্থা

গর্ভবতী নারীদের এই সমস্যা হতে পারে। সাধারণত গর্ভধারণের চতুর্থ মাস থেকে শুরু হয়ে শেষ মাস অবধি এই সমস্যা হতে পারে। জরায়ুর মধ্যে চাপের কারণে পায়ের স্নায়ুতে চাপ পড়ে সাধারণত এই সমস্যা হয়।

৫. থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি

শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে এই সমস্যা হয়। এই হরমোন ক্যালসিয়ামের শোষণে প্রভাব ফেলে। ক্যালসিয়ামের অভাবে পেশিতে দুর্বলতা, অবসন্নতা, ব্যথা, শিরাটান লাগার সমস্যা হয়।

এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং কিছু ওষুধের কারণে পায়ে শিরাটান হতে পারে।

আপনার খাবার কি বয়স ধরে রাখছে?

অনলাইন ডেস্ক :


বুড়িয়ে যাওয়ার পেছনে অস্বাস্থ্যকর খাবার অনেকাংশে দায়ী। এছাড়া শারীরিক পরিশ্রম না করা এবং কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণেও করেও বয়সের চেয়ে বয়স্ক দেখা যায় অনেককে। আর এটি থেকে বাঁচতে হলে কিছু স্বাস্থ্যকর নিয়ম মেনে চলা উচিত। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।


কৈশোর


অল্প বয়সে খাবারের চাহিদা বেশি বয়সের মানুষের তুলনায় ভিন্ন হয়। কৈশোরে প্রয়োজন হয় বেড়ে ওঠার উপযোগী খাবার। এ সময় প্রচুর ক্যালোরি ও পুষ্টি প্রয়োজন। আর এ চাহিদা মেটাতে খাবারও হওয়া চাই বিশেষ ধরনের। এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস নিউট্রিশনিস্ট রবি ক্লার্ক বলেন, ‘এ সময়ে তরুণদের প্রয়োজন প্রোটিনের মতো পুষ্টি উপাদান।


এছাড়া ক্যালসিয়াম ও আয়রনও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো দেহের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং দেহের সুষম পুষ্টি নিশ্চয়তা দেয়। তবে এ সময় খাবার বাছাইয়ে সতর্ক হওয়া উচিত যেন দেহের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি না ঘটে।’



এ বয়সে কার্বহাইড্রেট গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেহের এনার্জির অন্যতম উৎস। তাই দেহের কোষ ও মস্তিষ্ক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় কার্বহাইড্রেট খেতে হবে।


প্রাপ্তবস্কদের খাবার


আমরা যখন তারুণ্যের চৌকাঠ পেরিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাই তখন দেহের বৃদ্ধির পাট শেষ হয়ে যায়। এ সময় আমাদের পুষ্টির চাহিদা শেষ হয়ে যায় না, পরিবর্তিত হয়। আর এ সময় তাই খাবার খাওয়া উচিত দেহ পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি চাহিদা মেটানোর প্রয়োজনে। এক্ষেত্রে টাটকা ফলমূল ও সবজি, দানাদার খাবার, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ডালজাতীয় খাবার খেতে হবে।



এ বিষয়ে ক্লার্ক বলেন, ‘এখন আমরা আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে পারি পুষ্টি চাহিদা মেটানো ও দেহের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে। এক্ষেত্রে শারীরিকভাবে সক্ষম থাকা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারলে ক্রনিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি এড়ানো যাবে।’
তবে এ বয়সে গর্ভবতী নারীদের বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। তাদের বাড়তি কার্বহাইড্রেট প্রয়োজন হবে। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে পুষ্টি চাহিদা অপরিবর্তিত থাকবে।


মধ্যবয়সে


বয়স যখন ৫০ ছুঁই ছুঁই তখন খাবার খেতে হবে বেছে বেছে। এক্ষেত্রে এনার্জির ক্রমহ্রাসমান চাহিদার বিষয়টি মনে রাখতে হবে। এজন্য খাবারও পরিবর্তন করতে হবে। এ বিষয়ে ক্লার্ক বলেন, ‘এনার্জির চাহিদা কমে যাবে এ বয়সে। তাই খাবার বিষয়ে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের দেহের হাড়, মাংসপেশি ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রক্ষা করার জন্য খাবার খেতে হবে এ বয়সে।’
এ বয়সে অন্ত্রের ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা পেতে আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। এছাড়া ক্যালসিয়াম খেতে হবে। খাবারের প্রোটিনের মাত্রা রক্ষা করতে হবে মাংসপেশি ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রক্ষার জন্য। এছাড়া ফ্যাট বিশেষ করে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বর্জন করতে হবে ওজন বৃদ্ধি ঠেকাতে। হৃদরোগ ও টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে রক্ষার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ।


শারীরিক অনুশীলন


শুধু পুষ্টিকর খাবার খেলেই শরীর রক্ষা পাবে না। এজন্য পর্যাপ্ত শারীরিক অনুশীলন করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ওয়েট-বিয়ারিং এক্সারসাইজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। হাঁটা, ওজন তোলা ইত্যাদি হতে পারে শারীরিক অনুশীলনের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর।
এ বিষয়ে ক্লার্ক বলেন, ‘বুড়িয়ে যাওয়ায়ে আমাদের হাড়ের জয়েন্টগুলো সবচেয়ে প্রভাবিত হয়। এছাড়া মাংসপেশি ও হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে শারীরিক অনুশীলন করা উচিত নিয়মিত, যা দেহের এ সমস্যাগুলো কাটাতে ভূমিকা রাখে।’

আপনার শিশুটিও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক :


গোটা বিশ্বে ডায়াবেটিক ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এমনকি শিশুরাও টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হচ্ছে। গোটা বিশ্বের অসংখ্য শিশু টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। শৈশবে স্থূলতা এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে দুই ধরনের ডায়াবেটিসই দেখা দিতে পারে। ভারতের এক গবেষণায় বলা হয়, ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৮৫ শতাংশের টাইপ ১ এবং ৮ শতাংশের টাইপ ২ ডায়াবেটিস দেখা দেয়।


মেডান্টা দ্য মেডিসিটির এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ডায়াবেটিক বিভাগের পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ড. গনেশ জেভালিকার জানান, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে টাইপ ১ ডায়াবেটিস বেশি দেখা দিচ্ছে। ডায়াবেটিস নিয়ে খুব কমই খবর হয়। অথচ এটা বিশ্বের সপ্তম প্রাণঘাতী রোগ। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিতে পারলে এ অবস্থা সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।


নয়াটি হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান ড. জয়তি গয়াল জানান, শিশুদের টাইপ ১ ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর টাইপ ২ ডায়াবেটিস এক সময় টিনএজার বা শিশুদের মধ্যে বিরল হলেও এখন তার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কায়িক শ্রমের অভাবে তাদের স্থূলতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বয়ঃসন্ধির পর ১৫-১৯ বছর বয়সের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে।


শিশুদের কি ডায়াবেটিস মুক্ত রাখা যায়? : অধিকাংশ মানুষই জানেন না যে তাদের ডায়াবেটিস হতে পারে। শিশুর অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা প্রস্রাব এর প্রাথমিক লক্ষণ। টাইপ ২ ডায়াবেটিস এড়ানো যেতে পারে শিশুর ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে। প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিয়ে বেশি বেশি টাটকা সবজি খাওয়াতে হবে। তা ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন বাড়ছে কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে বাবা-মাকে।


যেসব লক্ষণ খেয়াল করবেন :
১. অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন বৃদ্ধি কিংবা ওজন কমে আসা।
২. দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা। ত্বকে কাটা-ছেড়া সহজে না শুকানো।
৩. হাত বা পায়ে বোধশক্তি স্বাভাবিক কাজ না করা।


এ ধরনের সমস্যায় শিশুকে বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।


যা মনে রাখবেন : শিশুর ডায়াবেটিস হওয়ার বিষয়টি আপনার মোটেও ভালো লাগবে না। তবে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষাতেই সব পরিষ্কার হতে পারে।


ডায়াবেটিক শিশুদের খাবার : পুষ্টি বিশারদ ও কোচ তারানজিৎ কৌর বলেন, শিশুদের ডায়াবেটিক হলে খাবারের বিষয়ে খুব খেয়াল রাখতে হবে। যা করবেন-


১. কার্ব : জটিল ধরনের কার্বোহাইড্রেট চিনির মলিকিউলে তৈরি হয়। এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা খুব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে। স্টার্চপূর্ণ খাবারে এমন কার্ব থাকে।


২. প্রোটিন : শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হলো প্রোটিন। প্রতিবার খাবারে একটা প্রোটিন থাকার দরকার। এই উপাদান অতি জরুরি অ্যামাইনো এসিড প্রদান করে।


৩. ফ্যাট : মাখন, তেল, সালাদ ড্রেসিং ইত্যাদিতে ফ্যাট থাকে। এরা প্রত্যক্ষভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে না। এ ছাড়া এরা হজম হতেও সময় নেয়। ভারসাম্যপূর্ণ খাবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফ্যাট।


মনে রাখতে হবে, শিশুদের খাবারে যদি প্রোটিন ও সবজি থাকে, তবে রক্তে চিনি মাত্রা খুব বেশি বাড়বে না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া