Saturday, July 2, 2016

হাড়কে সুস্থ রাখবে যে ৭টি খাবার

আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি হয় হাড়ের মাধ্যমে। দেহের আকৃতি ধরে রেখে সঠিক পরিচালনার জন্য হাড়ের গুরুত্ব অনেক। অথচ এই হাড়কে আমরা তেমন গুরুত্ব দেই না। দেহের সুস্থতার জন্য আমরা অনেক কাজ করি, অনেক ধরণের খাবার খাই। কিন্তু হাড়ের যত্ন তেমনভাবে নেওয়া হয় না। আর এই অযত্নের কারণে অল্প বয়সে হাঁটু ব্যথা, পা ব্যথা সহ অস্টিওপোরোসিস রোগ দেখা দেয়।

হাড়কে সুস্থ রাখবে এমন কিছু খাবারে তালিকা নিয়ে আজকের ফিচার। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক খাবারের নামগুলো।

১। টকদই

হাড় মজবুত করতে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অপরসীম। টকদই ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎস। প্রতিদিন এক কাপ টকদই ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে এবং হাড় মজবুত করে। এটি অস্টিওপোরোসিস রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।

২। দুধ

দুধের ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস। দুধের ক্যালসিয়াম খুব সহজে আমাদের দেহ হজম করে পুষ্টি গ্রহন করতে পারে। শুধু ছোটরা নয় বড়দেরও নিয়মিত দুধ পান করা উচিত।

৩। চিজ

ক্যালসিয়ামের অন্যতম আরেকটি উৎস হল চিজ বা পনির। ১.৫ আউন্স চিজ প্রতিদিনের ৩০% ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। এতে অল্প পরিমাণের ভিটামিন ডি রয়েছে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণ চিজ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

৪। ডিম

ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। তবে এতে মাত্র ৬% ভিটামিন ডি রয়েছে। যা খুব সহজে দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। তাই হাড়ের সুস্থতায় প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৫। কাঠবাদাম

এক কাপ কাঠাবাদামে ১৮% ক্যালসিয়াম থাকে। এটি হাড় মজবুত করার পাশাপাশি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক কাপ কাঠবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৬। স্যামন

স্যামন মাছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। ৩ আউন্স স্যামন মাছে ১৮১ গ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা হাড় এবং হার্ট সুস্থ রাখে।

৭। পালং শাক

এক কাপ রান্না করা পালং শাকে ২৫% ক্যালসিয়াম , ফাইবার, আয়রন এবং ভিটামিন এ রয়েছে। যা প্রতিদিনের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

এছাড়া সবুজ শাক সবজি, কমলার রস, ব্রকলি ইত্যাদি খাবার হাড় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


প্রিয়.কম

গ্রিন স্যুপ: শিশুর মুখে মুখোরোচক

যত দিন দুধের শিশু, তত দিন কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু যেই অর্ধকঠিন থেকে কঠিন খাবার খাওয়ানো শুরু হবে, অমনি যত বায়নাক্কা। এই খাবে, ওই খাবে না, খাবার বাটিটা হাতে চাই, কী খাওয়াচ্ছে দেখতে হবে, নিজের হাতে খাবো-মাখবো—আর কত ধৈর্যের পরীক্ষা দেবে মা। ছোটদেরও একই চাল-ডালের সিদ্ধ খিচুড়িতে মুখে অরুচি ধরছে। তাই শিশুদের উপযোগী স্বাস্থ্যকর কিছু রেসিপি ইরাবতী বসুর কলমে।

উপকরণ:
পালং শাক: এক অাঁটি
ময়দা: এক চামচ
দুধ: এক কাপ
মাখন: দুই টেবিল চামচ

পদ্ধতি:

পালং শাক গরম জলে ভাপিয়ে নিয়ে মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। কড়াই কম অাঁচে বসিয়ে মাখন দিন। ময়দা দিয়ে নেড়ে দুধ ঢেলে দিন। ভাল করে নাড়তে থাকুন। এর সঙ্গে পালং পিউরি মেশান। নুন-মিষ্টি চেখে নিন। পরিবেশনের সময় উপরে একটু ক্রিম দিলে দেখতে ভাল লাগে। খেতেও ভাল হয়। ক্রিম না থাকলে দইয়ের জল ঝরিয়ে এক চামচ উপরে ঢেলে দিতে পারেন।

আনারসের বহু গুণ, যা আপনি নাও জানতে পারেন

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এজেন্ট


সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি এনজাইম হলো ব্রোমেলাইন। কারণ আনারস ব্রোমেলিয়াসি পরিবার থেকে এসেছে। আনারস ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। তা ছাড়া রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও কাজ করে এটি। কারণ এতে আছে এমন উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। প্রাকৃতিক অ্যাসপিরিন হিসেবেও পরিচিতি আছে এই ফলের।



কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে
আনারস উচ্চামাত্রার ফাইবার মল তৈরিতে দারুণ সহায়ক। শরীরের বর্জ্যকে দ্রুত মলাশয়ে নিতেও সহায়তা করে আনারস। আবার এর ব্রোমেলাইন এনজাইম প্রোটিন ভাঙতেও কাজ করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় আনারসের শরবত ব্যাপক উপকারী।



চর্বি কমায়
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, আনারসে আছে প্রচুর চিনি, যা শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য জরুরি। এই উপাদান চর্বি ঝরাতেও কার্যকর। যেসব শিশু ফাস্টফুডের প্রতি দুর্বল, তাদের দেহ থেকে আনারস ক্যালরি দূর করতে সক্ষম। এর ফাইবার হজমপ্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। ফলে সহজে ক্ষুধা লাগে না।



চোখের জন্য
আনারসে আছে ভিটামিন ‘সি’ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আছে ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়ামের মতো খনিজও। এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করে। বয়স্কদের চোখে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন নামের একটি রোগ হয়। এর ঝুঁকি কমায় আনারস। এ ফলে আছে বিটাক্যারোটিন, যা চোখের জন্য খুবই উপকারী।



রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
এক কাপ আনারসে আছে এক মিলিগ্রাম সোডিয়াম ও ১৯৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। এই দুটি উপাদান দেহে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


গর্ভধারণে :


অনেক নারী গর্ভধারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। বহু ওষুধ ও চিকিৎসায় কাজ না হলেও আনারস সফল হতে পারে। এতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে ফলিক এসিড। অনেক গবেষণাও বলছে, নারীদের গর্ভধারণের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে আনারস খুবই কার্যকরী।



ভিটামিনে ভরপুর
এ ফলে আছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। খনিজের মধ্যে অনায়াসে মেলে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। আরো আছে ইলেকট্রোলাইট ও ক্যারোটিনের মতো সাইটো-নিউট্রিয়েন্ট। আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস রোগ প্রতিরোধে শক্তিশালী এক ফল আনারস। হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে এটি।



--এনডিটিভি অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

যে চার আচরণে বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটে

বিবাহ বিষয়ক বিখ্যাত থেরাপিস্ট জন গটম্যানের মতে, দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ৪ ধরনের আচরণে। প্রায় ৪০ বছর ধরে এই মনোবিজ্ঞানী এবং তার গটম্যান ইনস্টিটিউটের কর্মীরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের গবেষণায় সম্পর্ক ভাঙনের বহু উপাদান উঠে এসেছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞের মতে, ৪টি উপাদান মৌলিক। এগুলো সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে এদের থেকে দূর থাকার জন্যেও পরামর্শ দিয়েছেন।


১. কটাক্ষ করা :


এটা কেবল সঙ্গী-সঙ্গিনীকে নিয়ে অভিযোগের তালিকাই নয়। গটম্যান ইনস্টিটিউটের গবেষক এলি লিসিস্টা জানান, অভিযোগ সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো আচরণকে কেন্দ্র করে উত্থাপিত হয়। আবেগে আঘাত দিতে এটা মৌখিক আক্রমণ।


এড়িয়ে যাবেন যেভাবে :
ক. সঙ্গী-সঙ্গিনীর কোন বিষয়টা আপনাকে যন্ত্রণা দিচ্ছে তা আগে বের করুন। কারণ জানার পর আপনার কটাক্ষসুলভ মন্তব্যকে অভিযোগে পরিণত করুন। এটিও এমনভাবে বলুন যেন তাতে আপনি কি চান তা পরিষ্কার থাকে। যেমন- যদি তুমি জুতা শোয়ার ঘরের বাইরে রেখে আসো তাহলে বিষয়টি আমার ভালো লাগবে।


খ. মনে যা রয়েছে যা পুরোটা ঢেলে দিবেন না। যদি তার কোনো বিষয়ে আপনার মনে অনেক অভিযোগ থাকে, তবে তার সবটাই বলে দিতে নেই। মাঝে মাঝে কিছুটা জানান দিতে পারেন। কিন্তু সব নিয়ে একবারে বসে পড়া উচিত নয়।


গ. কটাক্ষ করে সরাসর না বলে তাকে আপনার ইচ্ছা হিসাবে প্রকাশ করুন। ভদ্রভাবে মনের কথার জানান দিন।


২. অবজ্ঞা :


এটি সবচেয়ে বাজে বিষয়। বিচ্ছেদের বড় উপলক্ষ হয়ে ওঠে। অপমানজনক কৌতুক, চোখ পাকানো বা বিদ্রূপ এ আচরণের মধ্যে পড়ে।


এড়িয়ে যাবেন যেভাবে :
ক. আপনাদের মধ্যে কি সমস্যা রয়েছে তা প্রকাশ না করে জানান, আপনাদের জন্যে কোনটা সত্য। অবজ্ঞার মাধ্যমে দুজনের মধ্যে কেবল দূরত্বই বাড়বে। এটা না করে সঙ্গী-সঙ্গিনীর ভুলটা শনাক্ত করে দিন।


খ. অপরের কোন বিষয়গুলো আপনি পছন্দ করেন ও সম্মানের চোখে দেখেন তা ফুটিয়ে তুলুন। এর জানান দিন। এটা খুব সামান্য বিষয় হতে পারে। কিন্তু বলে দিন। বিষয়টা অনেক সামলে নেওয়া যাবে।


গ. যখনই কিছু বলছেন, তখন আপনার বক্তব্যটাই আসল কথা। আপনার প্রতিটি কথা অর্থ প্রকাশ করে। হয়তো আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী কোনো সমস্যা নয়। সম্যানো অন্য কোথাও।


৩. আত্মরক্ষামূলক আচরণ :


নিজের কোনো সমস্যাকে ঢাকতে বা নিজেকে দোষের ভাগ থেকে দূরে রাখতে মানুষ আত্মরক্ষামূলক আচরণ করে, অন্তত সম্পর্কে ক্ষেত্রে।


এড়িয়ে যাবে যেভাবে :
ক. সঙ্গী-সঙ্গিনীর প্রতি সহানুভূতি জ্ঞাপন করুন। তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। যেকোনো ঘটনার কিছু দায়িত্ব নিজের ওপর নিন।


খ. পার্টনারকে বলুন যে আপনার মনে হচ্ছে যে আপনি আক্রমণের মুখে রয়েছেন। এতে তিনি কিছুটা সদয় হবেন।


গ. ক্ষমা করে দিতে এবং ক্ষমা চাইতে পিছ পা হবেন না। নিজের ভুল বুঝতে শিখুন। তার স্বীকার করে নিন। দুঃখ প্রকাশ করুন এবং প্রয়োজনে ক্ষমা চেয়ে নিন।


৪. দেয়াল তৈরি করা :


দুজনের মধ্যে কিছু বিষয়ে ব্যক্তিগত দেয়াল থাকতেই পারে। কিন্তু পাথরের মতো নিরেট দেয়াল সৃষ্টি করতে নেই।


এড়িয়ে যাবেন যেভাবে :
ক. অঙ্গভঙ্গী খেয়াল করুন। দেখুন, আচরণে এমন কিছু প্রকাশ পাচ্ছে কিনা যাতে আপনাকে দেয়ালের ওপারের কেউ বলে মনে হচ্ছে। দ্রুত স্পন্দরত হৃদযন্ত্র, ঘন ঘুন শ্বাস টানা ইত্যাদি অনেক অর্থ প্রকাশ করে।


খ. কথোপকথনে নিরাপদ শব্দচয়ন করুন। যখনই কথাবার্তা উত্তাপ ছড়াতে থাকবে তখনই দুজনই স্থিত হোন।


গ. দেয়াল শক্তপোক্তভাবে স্থাপিত হলে দৈহিক ও মানসিকভাবে ঘটনার ওপর কোনো মনোযোগ স্থাপন করা যায় না। যদি মনে হয় নিজেকে সামলাতে পারছেন না, তবে সেখানেই চুপ হয়ে যান। কিছু সময় পর আবারো কথোপকথনে যোগ দিন।


সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

Friday, July 1, 2016

চোখের যত্নে জেনে রাখুন

আলোতে পড়া
অনেকেরই কম আলোতে বই পড়া অভ্যাস রয়েছে, যা চোখের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনোভাবেই কম আলোয় বই পড়া যাবে না। শুধু বইয়ের ওপর উজ্জ্বল আলো থাকলেই হবে না, বইয়ের আশপাশের কিছু এলাকা ও পড়ার টেবিলে যথেষ্ট পরিমাণে আলো থাকা উচিত।

চোখের পলক ফেলা

দীর্ঘক্ষণ বই পড়লে কিংবা টিভি বা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক ফেলার হার কমে যায়, যা চোখের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কিছুক্ষণ পর পর চোখের পলক ফেলা অভ্যাস করা উচিত।

কম্পিউটার ব্যবহারে
কম্পিউটার ব্যবহারের সময় কম্পিউটারের মনিটর এমনভাবে স্থাপন করা উচিত যেন তা চোখের জন্য আরামদায়ক হয়। সরাসরি চোখের লেভেলে কম্পিউটার মনিটর সেট করা স্বস্তিকর নয়। এক্ষেত্রে মনিটর বসাতে হবে কিছুটা নিচে। যেমন মনিটরের শীর্ষস্থান যেন চোখের তুলনায় উঁচু না হয় সেজন্য মনোযোগী হতে হবে। মনিটরের উজ্জ্বলতা হতে হবে আপনার আশপাশের আলোর সমান। রাতের তুলনায় খুব সকালে পড়াশোনা করা চোখের জন্য ভালো। মনিটর ব্যবহারে প্রতি ৪০ মিনিট পর পর পাঁচ মিনিটের বিরতি নেওয়া উচিত।

ধূমপান বর্জন

এ বিষয়টি অনেকেরই জানা নেই যে, ধূমপানের ফলে চোখের ক্ষতি হয়। ধূমপায়ীর ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া ধূমপানের পাশাপাশি অ্যালকোহল গ্রহণ করা হলে তাতে অপটিক নার্ভ ডিসঅর্ডার হতে পারে।

ডায়াবেটিস হলে
ডায়াবেটিস রোগীদের চোখের জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সঠিকভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তা রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। পরবর্তীতে এ জটিলতার কারণে দৃষ্টিশক্তি নষ্টও হতে পারে। এ ঝুঁকি কমাতে ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতি চার মাস পর পর চোখ পরীক্ষা করা উচিত।

পুষ্টিকর খাবার

চোখের জন্য ভিটামিন এ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনার খাদ্যতালিকায় যেন চোখের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন থাকে সেজন্য মনোযোগী হোন। এক্ষেত্রে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ছাড়াও অন্যান্য ভিটামিন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

--টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

আরো বেশি অন্তরঙ্গ হতে...

সঙ্গী-সঙ্গিনীর সাথে আপনার সম্পর্ক যতটাই গভীর থাক না কেন, একে আরো বেশি এগিয়ে নেওয়া যায়। দুজনের মাঝে আরো বেশি অন্তরঙ্গতা বাকি থেকেই যায়। মানুষের প্রেম, ভালোবাসা এবং যৌনতাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিতে অন্তরঙ্গতার শেষ নাই। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুজনের মধ্যে অন্তরঙ্গতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ প্রক্রিয়াকে যত এগিয়ে নেওয়া যায় ততই একে অপরের কাছে চলে আসবেন।

সম্পর্কের গভীরতা বৃদ্ধিতে তিনটি বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। বিশ্বস্ততা রাখুন, সম্পর্কের বিষয়ে পুরনো ধ্যান-ধারণা প্রয়োজনে ত্যাগ করতে হবে এবং আরো গভীরতা তৈরির বাসনা থাকতে হবে।

অন্তরঙ্গতা এমন এক বিষয় যা শারীরিক বন্ধন সৃষ্টি করে। এটি বেশ আবেগীয় যোগাযোগও সৃষ্টি করে। অন্তরঙ্গতা মানুষের দেহে অক্সিটোসিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই হরমোনকে বেদনানশক বলা হয়। এটা মানুষের প্রাকৃতিক পেইকিলার। শিখে নিন আরো কাছে আসার ৫টি উপায়ের কথা।

১. ধরে নিন, সঙ্গী-সঙ্গিনীই আপনার আদর্শ শত্রু। তার মুখোমুখি হোন। এবার তাকে বিচার করুন। তিনি কতটা আদর্শ শত্রু হতে পেরেছেন। তার সঙ্গে প্রচুর কথা বলুন, অন্তরঙ্গতা সৃষ্টি করুন। এমনিতেই অন্তরঙ্গতা বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

২. নিজের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। নিজের যৌন আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে অনেক মানুষই কোনো ধারণা রাখে না। এ বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হবে। রোমান্টিক পার্টনার সৃষ্টিতে এর প্রয়োজন রয়েছে। নিজেকে জানার পর সিদ্ধান্তে আসতে হবে যে, আপনি তার সঙ্গে কতটুকু আন্তরিকতা সৃষ্টি করবেন? ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করা উচিত হবে না। অন্তরঙ্গতা কার না ভালো লাগে?

৩. এবার সঙ্গী-সঙ্গিনীর সঙ্গে অন্তরঙ্গতা সৃষ্টি প্রয়াসকে যত্নের সঙ্গে এগিয়ে নিন। যৌনজীবনে তার কাছ থেকে কি চাইছেন বা তিনি কি চাচ্ছেন তা জানার চেষ্টা করুন। তার মনে কোনো গভীর চাহিদা থাকলে তা বের করে আনুন। নিজের ফ্যান্টাসিগুলোও সামনে তুলে আনুন। অতীতের কোনো আচরণে সঙ্গী-সঙ্গিনী নেতিবাচক আচরণ করে থাকলে তা মাথায় রাখুন। বিশেষ করে যৌনজীবনে এর গুরুত্ব অসীম।

৪. নিরাপত্তাকে সবার আগে গুরুত্ব দিন। নিরাপদ সম্পর্কে যেকোনো মানুষ সহজেই জুড়ে যেতে চান। এর জন্যে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করা উচিত। যেমন-
ক. আমার এ যৌন আকাঙ্ক্ষা কি প্রকাশ করে?
খ. যদি আমি এমন আচরণ উপভোগ করি, তবে তা আমার কি ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে?
গ. এমন কোনো আচরণ যা আমি মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে চাই, তাকে কেমনভাবে গ্রহণ করে চলেছি?
ঘ. এ ধরনের অস্বস্তিকর আচরণ যদি আমার ভালো লাগে, তাহলে বিষয়টি কেমন দেখায়?
ঙ. মানসিক এবং শারীরিকভাবে আঘাত পেলে কি করা উচিত?

৫. বিশেষ করে যৌনজীবন নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলে যেকোনো যৌন বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে দ্বিধা করবেন না। যেকোনো বিশেষজ্ঞ দম্পতিদের যৌন সম্পর্কের যাবতীয় রহস্য উন্মোচন করে দিতে পারেন। যৌনতৃপ্তি অর্জন বা এ নিয়ে যত আশঙ্কা মনে দানা বাঁধে তা দূর করা প্রয়োজন। এতে করে দুজনের অন্তরঙ্গতা আরো বৃদ্ধি পাবে। মাঝে যত বাধা গায়েব হলেই সম্পর্ক আরো বেশি গভীর ও উপভোগ্য হয় উঠবে। সূত্র : ইন্টারনেট