Tuesday, May 31, 2016

রান্নায় অসাধারণ স্বাদ-গন্ধ আনা কিছু 'গোপন উপকরণ'

অনলাইন ডেস্ক:


খাবারে স্বাদের মূল মন্ত্র এর উপকরণ। যারা প্রচলিত রেসিপি নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পছন্দ করেন, তারা সাধারণত নিজের রেসিপিতে গোপন কোনো উপকরণ দিতে পছন্দ করেন। এই গোপন উপকরণই সাধারণ রেসিপিকে অসাধারণ স্বাদ দেয়। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এমনই কয়েকটি গোপন উপকরণের কথা।


১. মেথির পাউডার : মেথির বীজ শুকিয়ে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। অধিকাংশ রান্নায় এটি ব্যবহার করতে পারেন। বেশি নয়, দুই-তিন চিমটি মেথির পাউডারে খাবার পায় এক অনন্য স্বাদ। গতানুগতিক স্বাদের বাইরেও ভিন্ন কিছু পাবেন।


২. কুডামপুলি : কেরালার অতি জনপ্রিয় রন্ধন উপকরণ। এটি তেতুলের ভিন্ন প্রজাতি। কেরালার অধিবাসীরা মাছ রান্নায় এটি ব্যবহার করেন। এটা তরকারিতে বেশ গাঢ় একটা স্বাদ ও গন্ধ দেয়। বহু বছর ধরে তাদের মাছ রান্নার অসাধারণ উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এটি।


৩. চাল-ডালের মিশ্রণে পাউডার : তরকারিকে ঘন করতে চাল ও ডালের পাউডার মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। এটি তরকারিতে দারুণ স্বাদও দেয়। সবজিতে এর ব্যবহার সর্বাধিক।


৪. তিলের তেল : হোক নিরামিষ বা মুরগির তরকারি, তিলের তেল এর স্বাদটাই বদলে দেবে। যেকোনো খাবারে এক টেবিল চামচ তিলের ছড়িয়ে দিলে খাবার পায় মুখরোচক স্বাদ ও গন্ধ। যে খাবারে সবজি বেশি তার স্বাদ-গন্ধ অনেক বাড়িয়ে দেয় এই তেল।


৫. পুদিনা পাতা ও রেড পিপার ফ্লেক : কোনো নিয়ম নেই যে একমাত্র পিৎজ্জা টপিংয়েই রেড পিপার ফ্লেক ব্যবহার করতে হবে। এগুলো ঘরে রান্না তরকারিতেই ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া রয়েছে অনন্য স্বাদ ও গন্ধের পুদিনা পাতা। যেকোনো খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাছ, মাংস বা সবজিতে পুদিনা পাতা বা রেড পিপার ফ্লেক অনায়াসে গোপন উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করুন।


৬. কস্তুরী মেথি : অনেকেই এই উপকরণ ছাড়া তার রান্না শেষ করতে পারেন না। বিশেষ করে তরকারি রান্না শেষ করতে এর তুলনা নেই। মূলত মেথির শুকনো পাতাকেই কস্তুরী মেথি বলা হয়।


৭. আদার পাউডার, গরম মসলা ও শুকনো আমের পাউডার : মাছ-মাংসের তরকারিতে আদার পাউডারের সঙ্গ সামান্য গরম মসলা দিতে পারে। স্যাকস বা তরকারিতে নতুন স্বাদ দেয়। যেকোনো খাবারের চিরাচরিত স্বাদ নিমিষেই বদলে যায়। আবার আম শুকিয়ে নিয়ে তা পাউডার করে রাখুন। ডাল বা অন্যান্য তরকারিতে পরিমাণ মতো দিয়ে জাদু দেখুন।


৮. তালের গুড় : মিষ্টি খাবারের এক গোপন উপকরণ। মিষ্টি যাই রান্না করেন, প্রক্রিয়ার শেষে সামান্য পরিমাণ তালের গুড়ের রস মিশিয়ে দিন।


৯. মসলাদার পাউডার : রন্ধন প্রক্রিয়ার শেষ উপকরণ হতে পারে ডাল, ধনিয়া, লাল মরিচ ইত্যাদির পাউডারের মিশ্রণ। এগুলো মিশিয়ে নিয়ে পাউডার করুন। দারুণ এক গোপন উপকরণে পরিণত হবে। রান্নার শেষে দিকে ছিটিয়ে দিন পরিমাণ মতো। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

‘চোখটা এত লাফায় কেন?’

অনলাইন ডেস্ক:


অধিকাংশ লোকের জীবনেই কোনো না কোনো সময় চোখ লাফানোর সমস্যা হয়। অনেক সময় বাঁ চোখ লাফায়, আবার ডান চোখ লাফায়। তখন হয়তো অনেকে প্রশ্ন করেন, ‘চোখটা এত লাফায় কেন?’ উত্তরে তখন অনেকে বলেন, ডান চোখ লাফালে শুভ ব্যাপার ঘটবে আর বাঁ চোখ লাফালে অশুভ কিছু অপেক্ষা করছে। তবে এসব কথা কিন্তু ঠিক নয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম প্রকাশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।


মূলত চোখ লাফানো একটি শারীরিক সমস্যা। একে সাধারণত আইলিড টিক্স অথবা আই স্পাজম বলা হয়। সাধারণত এটি যেকোনো এক চোখের নিচের অংশকে আক্রান্ত করে। এতে ওপরের অংশও কখনো কখনো লাফানো শুরু করে। এ সমস্যা সাধারণত দ্রুতই চলে যায়। তবে কিছু কিছু সময় সপ্তাহ বা মাসখানেক স্থায়ী হয়। বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা হতে পারে।


বেশি কফি গ্রহণ
উজ্জ্বল আলো
মদ্যপান
ক্লান্তি
মানসিক চাপ
চোখের ভেতরের অস্বস্তি
ধূমপান
শারীরিক পরিশ্রম
বাতাস
আই স্পাজম সাধারণত এমনিতেই ঠিক হয়ে যায়। এই স্পাজম ব্যথাযুক্ত নয়, ক্ষতিকর নয়। তবে কিছুটা অস্বস্তিকর। বিশেষ করে বেশি হলে চোখ বন্ধ করতে ও খুলতে সমস্যা হয়।


তবে এটি যদি খুব বেশি হয়, তবে শরীরের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে দিনে কয়েকবার সমস্যাটি হয়, সপ্তাহ বা মাসখানেক থাকে। এর মধ্যে মস্তিষ্কের সমস্যাও রয়েছে, যেমন : ফেসিয়াল পালসি, পারকিন সন ডিজিজ, মাল্টিপাল স্কেলিরোসিস ইত্যাদি। দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যা হলে চোখের ক্ষতিও হতে পারে। তাই যদি দীর্ঘমেয়াদি চোখ লাফানোর সমস্যা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন


চোখ লাল বা ফোলা হলে; পানি বেরোতে থাকলে।
পাতা বারবার পড়তে থাকলে।
চোখ পুরোপুরি বন্ধ করার সময় বারবার চোখ লাফালে।
চোখ লাফানোর সমস্যা যদি সপ্তাহখানেক থাকে।
চোখ লাফানোর সমস্যা যদি মুখের ওপরও প্রভাব ফেলে।